ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২০, ১২ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭

ইতিবাচক সংবাদ পাঠকদের বেশি আকৃষ্ট করে : আ জ ম নাছির

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেছেন, ইতিবাচক সংবাদ পাঠকদের বেশি আকৃষ্ট করে। মিডিয়া নেতিবাচক সংবাদ বেশি প্রকাশ করে বলে জাতি সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হচ্ছে। তিনি বলেন, দেশের স্বার্থ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করলে ইতিবাচক ধারণা তৈরি করতে ভূমিকা রাখবে।

শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে ইংরেজি দৈনিক দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের অনলাইন ভার্সনের প্রথম বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। বেলা ১১টায় কেক কাটার মাধ্যমে শুরু হয় বর্ষপূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠান। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের চট্টগ্রাম ব্যুরোপ্রধান শামছুদ্দিন ইলিয়াছ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।

অনুষ্ঠানে সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেন, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড অল্প সময়ের মধ্যে পাঠকের মনে স্থান করে নিয়েছে। এর ব্যাপ্তি আরও বাড়ুক এ প্রত্যাশা করি। বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকা চলমান ধারার বিপরীতে শক্ত অবস্থান তৈরি করবে। চট্টগ্রামের সমস্যাগুলো ইতিবাচকভাবে তুলে ধরা হলে নীতিনির্ধারকরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

তিনি আরও বলেন, ইতিবাচক সংবাদ পাঠকদের বেশি আকৃষ্ট করে। মিডিয়া নেতিবাচক সংবাদ বেশি প্রকাশ করে বলে জাতি সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হচ্ছে। দেশের স্বার্থ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করলে ইতিবাচক ধারণা তৈরি করতে ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন বলেন, বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকায় ভালো কনটেন্ট আছে, আছে পেশাদারিত্ব। এই পেশাদারিত্ব বজায় থাকলে পত্রিকাটি অনেক দূর যাবে। পত্রিকার পেজ হচ্ছে বাজার। এই বাজারে যত বেশি ভালো পণ্য থাকবে তত বেশি সেই বাজারে মানুষের ভিড় থাকবে, বেচাকেনা অর্থাৎ পত্রিকার কাটতি বাড়বে।

বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড সম্পর্কে সুজন বলেন, ‘ফেস ইনডেক্স দ্য মাইন্ড’। মানুষের মুখচ্ছবি দেখলে বোঝা যায় মানুষটির ভেতর কী আছে। ঠিক একইভাবে বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকায় কী আছে তা প্রথম পৃষ্ঠা দেখলেই বোঝা যায়। পত্রিকার নিউজ পেজে ভালো সংবাদ থাকলে অবশ্যই পাঠকপ্রিয়তা পাবে। নতুন প্রজন্ম ভালো কিছু প্রত্যাশা করে। সবার আগে প্রয়োজন পেশাদারিত্ব, সততা এবং দক্ষতা। একটি পত্রিকায় এই তিনটি বিষয়ের সমন্বয় থাকলে অবশ্যই পাঠকপ্রিয়তা পাবে।

পিএইচপি ফ্যামিলির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মহসিন বলেন, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড সংবাদের গতানুগতিক ধারার বাইরে ইতিবাচক ধারা তৈরি করেছে। আমাদের চিন্তায় একটি ধারণা আজ বেশি কাজ করে নেগেটিভ সংবাদ প্রকাশ না করলে পত্রিকা চলে না। বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড এই ধারণার পরিবর্তন করেছে। ইতিবাচক সংবাদ দিয়ে পাঠকপ্রিয়তা পাওয়া যায় দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড তার একটি উদাহরণ।

কেএসআরএমের ডিএমডি শাহরিয়ার জাহান বলেন, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড শুরু থেকেই বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থায় আছে। তার কনটেন্ট, আর্টিকেল, ডিজাইন, উপস্থাপনা সবকিছুই নান্দনিক এবং পাঠকদের আকর্ষণ করে। শুরু থেকেই চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশাকে পত্রিকায় তুলে ধরা হচ্ছে। আমরা এই পত্রিকার সর্বাঙ্গীন সফলতা কামনা করি।

রিজেন্ট এয়ারওয়েজের ডিএমডি সালমান হাবিব বলেন, বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড বাংলাদেশের সংবাদপত্র শিল্পে একটি নতুন বেঞ্চমার্ক স্থাপন করেছে। প্রতিষ্ঠার এক বছরের মধ্যে এটি দেশের সবচেয়ে বহুলপঠিত সংবাদপত্রে পরিণত হয়েছে। ইতিবাচক এবং গঠনমূলক সাংবাদিকতার জন্য দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

এলবিয়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান রাইসুল উদ্দিন সৈকত বলেন, বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড তার পাঠকদের খুবই গুরুত্ব দেয়। বিজনেস কমিউনিটির সমস্যা সম্ভাবনা খুবই গুরুত্বের সাথে তুলে ধরে। আমি এই পত্রিকার নিয়মিত পাঠক। তাদের অগ্রযাত্রা আরো সুদূরপ্রসারী হোক।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি আলী আব্বাস বলেন, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড শুরু থেকেই সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রেখেছে। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের জন্য সবসময় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের যুগ্ম মহাসচিব মহসীন কাজী, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, দেশ রূপান্তরের ব্যুরোপ্রধান ফারুক ইকবাল, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের অর্থ সম্পাদক দেব দুলাল ভৌমিক, পাঠাগার সম্পাদক রাশেদ মাহমুদ, নির্বাহী সদস্য স ম ইব্রাহিম, চট্টগ্রাম সংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আলী, সাবেক সভাপতি মোস্তাক আহমদ, জামালখান ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, একুশে পত্রিকা সম্পাদক আজাদ তালুকদার, বাংলাভিশন ব্যুরোপ্রধান নাসির উদ্দীন তোতা, আমাদের সময়ের ব্যুরোপ্রধান হামিদ উল্লাহ, দীপ্ত টিভির বিভাগীয় ব্যুরোপ্রধান লতিফা আনসারী রুনা, প্রথম আলোর সিনিয়র রিপোর্টার মাসুদ মিলাদ, কেএসআরএমের মিডিয়া অ্যাডভাইজার মিজানুল ইসলাম প্রমুখ।

মন্তব্য করুন