ঢাকা, রবিবার, ৫ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ হারল বাংলাদেশ

তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় টি-২০তে পাকিস্তানের মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। ফখর জামানের ফিফটিতে ম্যাচটি সহজেই জিতেছে সফরকারীরা। ফলে এক ম্যাচ বাকী থাকতেই সিরিজ হারল টাইগাররা।
মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১০৮ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। জবাবে মাত্র ২ উইকেট হারিয়েই লক্ষ্যে পৌঁছায় পাকরা।

পাকিস্তানের হয়ে রান তাড়া করতে নামেন বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে বোলিংয়ে এসেই দলকে আনন্দে ভাসান মুস্তাফিজুর রহমান। বাবরকে মাত্র ১ রানেই সাজঘরে ফেরান তিনি।

এরপর রিজওয়ান ও ফখর জামান মিলে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন। দুজনে মিলে গড়েন ৮৫ রানের জুটি। রিজওয়ান যখন ৩৯ রানে ফেরেন, দলের জয় তখন অনেকটাই নিশ্চিত।

রিজওয়ান না পারলেও দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন ফখর। এর আগে খেলেন অপরাজিত ৫৭ রানের ইনিংস। বাংলাদেশের হয়ে মুস্তাফিজ ও আমিনুল ইসলাম বিপ্লব একটি করে উইকেট নেন।

এর আগে টস জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। টাইগারদের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন সাইফ হাসান ও মোহাম্মদ নাইম।

অভিষেকে ব্যর্থতার পর নিজের দ্বিতীয় ম্যাচেও হতাশা উপহার দেন সাইফ হাসান। নিজের প্রথম বলেই শাহীন আফ্রিদির কাছে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন তিনি। অপর ওপেনার নাইমও আউট হওয়ার আগে করেন মাত্র ২ রান।

মাত্র ৫ রানে দুই উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরেন আফিফ হোসেন ধ্রুব ও নাজমুল হোসেন শান্ত। দুজনে ধীরে সুস্থে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন। ব্যক্তিগত ২০ রানে আফিফ ফিরলে ভাঙে দুজনের ৪৬ রানের জুটি।

এরপর শান্ত ও রিয়াদ মিলে ২৮ রানের জুটি গড়েন। ১২ রানে রিয়াদ ফেরার পর বাকি ব্যাটারদের কেউই বড় সংগ্রহ পাননি। একপ্রান্ত আগলে খেলা শান্ত করেন ৪০ রান।

পাকিস্তানের হয়ে শাহীন আফ্রিদি ও সাদাব খান দুটি এবং মোহাম্মদ নওয়াজ, হারিস রউফ ও মোহাম্মদ ওয়াসিম একটি করে উইকেট শিকার করেন।