ঢাকা, সোমবার, ১৭ই জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

রেলে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত শিগগিরই: রেলমন্ত্রী

রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, রেলে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলাচল করার বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। তবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত খুব শিগগিরই নেয়া হবে।
মঙ্গলবার রেল মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনের কাছে শপিংমলসহ কাম- গেস্ট হাউস নির্মাণের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, কবে থেকে ৫০ শতাংশ যাত্রী পরিবহন শুরু করবে তা এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সিদ্ধান্ত নেয়ার পরে আমরা আপনাদের জানিয়ে দেব।

তিনি বলেন, রেল হলো একটি সরকারি পরিবহন সংস্থা। সরকার যে স্বাস্থ্যবিধি মানার ঘোষণা দিয়েছে তা আমরা অবশ্যই মানবো। সরকারের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে আগামী ১৩ জানুয়ারি থেকে অর্ধেক যাত্রী নেয়ার বিষয়টি কার্যকর করার। কিন্তু ট্রেনের ৫ দিন আগের টিকিট বিক্রি করা হয়েছে এই বিষয়টিও বিবোচনায় রাখতে হবে।

তিনি আরো বলেন, টিকিট বিক্রির সঙ্গে সবকিছু জড়িত। সবকিছু বিবেচনা করে খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তবে কবে থেকে অর্ধেক যাত্রী নেয়া কার্যকর হবে এই বিষয়টি এখনি বলা সম্ভব না। তবে সরকারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করে আমরা এগিয়ে যাব।

মন্ত্রী আরো বলেন, এর আগে যখন স্বাস্থ্যবিধি মেনে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে রেল চলাচল করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল তখনো সফলতার সঙ্গে কার্যক্রম করা হয়েছে। এখন ট্রেনে অর্ধেক যাত্রী পরিবহন আগামী ১৩ তারিখ থেকে কার্যকর করা সম্ভব হবে কিনা সেই বিষয়ে আমরা বসে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব।

পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপে বন্দর নগরীর চট্টগ্রাম স্টেশনের কাছে রেলওয়ের জমিতে শপিংমল, হোটেল কাম রেস্ট হাউস এবং অন্যান্য নির্মাণের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করে।

মন্ত্রণালয়ের ফোকাল পয়েন্ট অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (সেতু) আহসান জাবির ও এপিক প্রপার্টিজ লিমিটেডের পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন এই চুক্তিতে সই করেন। চুক্তির সময়সীমা ৪০ বছর। নির্মাণের সময় ৪ বছর, প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয় ৪৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. হুমায়ুন কবীর, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক ধীরেন্দ্র নাথ মজুমদার, পিপিপি কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা আফরোজসহ আরো অনেকেই।

প্রকল্পের আওতায় যেসব জিনিস নির্মাণ করা হবে তা হলো- হোটেল, শপিংমল, অফিস, সিনেমা হল/মাল্টিপ্লেক্স, কনভেনশন সেন্টার/এক্সিবিশন সেন্টার/ রিক্রিয়েশন সেন্টার/ পারিবারিক বিনোদন কেন্দ্র ও অ্যাপার্টমেন্ট।