রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ধর্ষণ ও শ্বাসরোধে রাবেয়া খাতুন নামের এক মহিলাকে হত্যা হত্যা করা হয়েছে বলে গ্রেফতারকৃত সারোয়ার জাহান সাগর নামের এক আসামি স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দী দিয়েছেন। রোববার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এএইচএম সালাউদ্দিন হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেফতারকৃত সারোয়ার জাহান সাগর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল থানার ইসলামপুর এলাকার আব্দুর রহিমের ছেলে।
এছাড়া হত্যাকাণ্ডের শিকার রাবেয়া খাতুন ভোলা জেলার সদর উপজেলার চররমেশ এলাকার শামসুদ্দিনের স্ত্রী।
গ্রেফতারকৃত সারোয়ার জাহান সাগরের স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দির বরাত দিয়ে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এএইচএম সালাউদ্দিন জানান, উপজেলার নাওড়া এলাকার চা দোকানদার রানার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন রাবেয়া খাতুন। পার্শ্ববর্তী জলসিঁড়ি প্রজেক্টের শ্রমিকদের রান্নার কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন রাবেয়া খাতুন। ৪ অক্টোবর রোববার রাতে রান্নার কাজ শেষ করে নাওড়ায় ভাড়া বাসায় ফিরছিলেন তিনি। পরে জলসিঁড়ি প্রজেক্টর ১২ নম্বর সেক্টরের ১০৭ নং রাস্তার পাশে পৌছাবো মাত্র আসামী সারোয়ার জাহান সাগর বুকে লাথি মেরে রাবেয়া খাতুনকে মাটিতে ফেলে দেয়। পড়ে থাকে ধর্ষণ করার চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে আত্মচিৎকার করলে রাবেয়ার নাকে মুখে চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে ফেলে। পরে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে রাবেয়া খাতুনের মৃত্যু হয়।
পরের দিন ৫ অক্টোবর দুপুরে রাবেয়া খাতুনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ সদর হাসপাতাল মরগে পাঠানো হয়। এই ঘটনায় রাবেয়া খাতুনের ছেলে মোহাম্মদ শাহিন বাদি হয়ে রূপগঞ্জ থানা একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ওই মামলায় রূপগঞ্জ থানা পুলিশ জলসিঁড়ি প্রজেক্ট এরিয়া থেকে সারোয়ার জাহান সাগরকে গ্রেফতার করে নারায়ণগঞ্জ আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনার স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছে আসামি সারোয়ার জাহান সাগর ।
