ePaper

রায়গঞ্জে ১৩৭ হাস্কিং মিল নিয়ে উদ্বেগ, উৎকণ্ঠায় মালিক-শ্রমিক

রফিকুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় ১৩৭টি লাইসেন্সধারী হাস্কিং মিলের কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এসব মিলের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত প্রায় ২২ হাজার শ্রমিক ও তাঁদের পরিবার। মিলগুলোর কার্যক্রম ব্যাহত হলে স্থানীয় অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

চালকল মালিকদের অভিযোগ, বিভিন্ন ধরনের চাপ, হয়রানি ও আর্থিক অনিশ্চয়তার কারণে মিলগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে উৎপাদন কমার পাশাপাশি কর্মসংস্থানও হুমকির মুখে পড়তে পারে।

উপজেলা চালকল মালিক সমিতির সভাপতি আবদুল মোত্তালেব শেখ বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল জেলার খাদ্য নিরাপত্তা ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে হাস্কিং মিলগুলোর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

তিনি জানান, মিলগুলো বছরে দুইবার সরকারি বরাদ্দ পেয়ে থাকে। বরাদ্দ পাওয়ার আগে সার্ভেকালে মিলগুলোর অবকাঠামো মেরামত করা হয়। সার্ভে কমিটি মিল পরিদর্শন ও উৎপাদন সক্ষমতা যাচাইয়ের পর বরাদ্দ দেয়।

মিলের শ্রমিকদের দাবি, মিলগুলো সচল রাখা এবং কর্মসংস্থান রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। অন্যথায় হাজার হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. হারুন অর রশিদ বলেন, মিলের বিপরীতে সরকারি বরাদ্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়মনীতি রয়েছে। এসব নিয়ম লঙ্ঘন করে কোনো মিলকে বরাদ্দ দেওয়ার সুযোগ নেই। মিলের লাইসেন্স, সার্ভে এবং বরাদ্দের বিপরীতে চাল যথাযথভাবে সরকারি গুদামে দেওয়ার বিষয়গুলো নিয়মের আওতাভুক্ত।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, রায়গঞ্জের চালকল শিল্প ব্যবসার পাশাপাশি বড় কর্মসংস্থানের উৎস। তাই শ্রমিকদের জীবিকা ও স্থানীয় অর্থনীতি বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।