WordPress database error: [Index for table 'wp_postmeta' is corrupt; try to repair it]
SELECT post_id, meta_key, meta_value FROM wp_postmeta WHERE post_id IN (23173) ORDER BY meta_id ASC

আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের পথে অগ্রযাত্রা: আনসার–ভিডিপির জাপানিজ ভাষা প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন - Daily Nabochatona
ePaper

WordPress database error: [Index for table 'wp_postmeta' is corrupt; try to repair it]
SELECT meta_id FROM wp_postmeta WHERE meta_key = 'post_views_count' AND post_id = 23173

WordPress database error: [Index for table 'wp_postmeta' is corrupt; try to repair it]
SELECT post_id, meta_key, meta_value FROM wp_postmeta WHERE post_id IN (23173) ORDER BY meta_id ASC

class="post-23173 post type-post status-publish format-standard hentry category-83">

আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের পথে অগ্রযাত্রা: আনসার–ভিডিপির জাপানিজ ভাষা প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

মো. জাকের হোসেন

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের দক্ষতা উন্নয়ন, আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন এবং আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাহিনীর সম্মানিত মহাপরিচালক মহোদয়ের দূরদর্শী ও প্রগতিশীল নেতৃত্বে এক যুগান্তকারী উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে চলেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাহিনীর ‘সঞ্জীবন প্রকল্প’-এর আওতায় ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট কার্যক্রমকে আরও বেগবান করতে আনসার–ভিডিপি সদস্যদের জন্য জাপানিজ ভাষা প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়েছে।অদ্য ২২ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ আনসার-আনসার-ভিডিপি সদর দপ্তর থেকে অনলাইনে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন। আজ থেকে শুরু হওয়া ৯০ দিন মেয়াদি এই প্রশিক্ষণ আগামী ২১ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত চলমান থাকবে।উল্লেখ্য, এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গত ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে আনসার–ভিডিপি সদর দপ্তরে বাহিনীর সদস্যদের জাপানিজ ভাষা শিক্ষার লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (গড়ট) স্বাক্ষরিত হয় ঝশরষষ টঢ় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে। ঝশরষষ টঢ় একটি দক্ষতা উন্নয়ন ও পরামর্শমূলক প্রতিষ্ঠান, যা বৈশ্বিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ মানবসম্পদ গঠনে কাজ করে যাচ্ছে।আনসার–ভিডিপি একাডেমি, খুলনা, চট্টগ্রাম, বগুড়া ও রংপুর—এই পাঁচটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রতিটিতে ৪০ জন করে মোট ২০০ জন প্রশিক্ষণার্থী এই কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করছেন। ঝশরষষ টঢ় প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞ ও দক্ষ জাপানিজ ভাষা প্রশিক্ষকদের মাধ্যমে এই প্রশিক্ষণ পরিচালিত হচ্ছে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মহাপরিচালক বলেন,“এই জাপানিজ ভাষা প্রশিক্ষণ কারিকুলাম হবে একটি হাইব্রিড ও সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমধর্মী প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা, যা আনসার–ভিডিপির অন্যান্য প্রচলিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম থেকে মৌলিকভাবে ভিন্ন। প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য এটি হবে এক নিবিড়, আবাসিক এবং ব্যবহারিক ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম।”তিনি আরও বলেন,“এই ৯০ দিনের প্রশিক্ষণকালকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব, অধ্যবসায় ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজে লাগাতে হবে। প্রশিক্ষণার্থীদেরকে নিজেদের মধ্যে এবং প্রশিক্ষকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক জাপানিজ ভাষায় কথোপকথনের অনুশীলন করতে হবে। ক্লাস সময়ের বাইরেও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে সরবরাহকৃত টেলিভিশনের মাধ্যমে জাপানিজ ভাষার অডিও–ভিজুয়াল কনটেন্ট দেখার মাধ্যমে ভাষাগত দক্ষতা আরও সুসংহত করতে হবে।”মহাপরিচালক তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন,
“৬০ লাখ সদস্যের এই বাহিনীর পরিবারের সদস্য হিসেবে প্রায় ৩ কোটি মানুষের জন্য ধাপে ধাপে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা আমাদের অন্যতম কৌশলগত লক্ষ্য।”তিনি আরও জানান, এই প্রশিক্ষণ শেষে জাপানিজ ভাষার উচ্চতর সার্টিফিকেশন অর্জনের ক্ষেত্রে আনসার–ভিডিপি কল্যাণ ট্রাস্ট পরীক্ষার ফি প্রদানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের সাফল্য নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানিয়ে মহাপরিচালক বলেন,
“রাষ্ট্র আমাদেরকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি আর্থসামাজিক উন্নয়নের যে ম্যান্ডেট দিয়েছে, তা যেন আমরা নিষ্ঠা, সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করতে পারি—সে বিষয়ে সকলকে সচেতন থাকতে হবে।”
তিনি জোর দিয়ে বলেন,“শুধু একটি সার্টিফিকেট অর্জনই আমাদের লক্ষ্য নয়; বরং প্রশিক্ষণ শেষে যদি আমাদের প্রশিক্ষণার্থীরা জাপানিজ ভাষায় স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে ও বুঝতে সক্ষম হয়—তবেই আমরা এই উদ্যোগকে প্রকৃত সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করব।”এই জাপানিজ ভাষা প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে তাদের গ্রহণযোগ্যতা ও প্রতিযোগিতামূলক শক্তি বহুগুণে বৃদ্ধি করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে এই উদ্যোগ বাহিনীর সদস্য ও তাদের পরিবারের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, বৈদেশিক কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ এবং জাতীয় পর্যায়ে মানবসম্পদ রপ্তানিতে একটি টেকসই ও কৌশলগত অবদান রাখবে। একই সঙ্গে এটি আনসার–ভিডিপিকে একটি আধুনিক, জনকল্যাণমুখী ও বহুমাত্রিক বাহিনী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পথে একটি শক্ত ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *