ঢাকা, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১২ আশ্বিন, ১৪২৭

বরিশালে নির্মিত হচ্ছে দেশের সর্ববৃহৎ ‘বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল’ 

বরিশালে নির্মিত হচ্ছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সবচেয়ে বড় ‘ম্যুরাল’। সিটি করপোরেশনের মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ’র উদ্যোগে নগরীর দক্ষিণ সদর রোডের পাশে নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়ামের দক্ষিণ পাশের দেয়ালে এই ম্যুরাল নির্মাণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ম্যুরালটিকে নিয়ে বরিশালবাসীর মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে প্রশংসিত করে ফেসবুকে অনেকেই ম্যুরালটি পোষ্ট করেছেন। ম্যুরালের সামনের মূল ভিত্তির উচ্চতা ৫০ ফুট ও চওড়া ৪০ ফুট। এর নকশা তৈরি করেছেন ঢাকার চারুকলার একটি দল। ম্যুরাল চিত্রটির রূপ দিয়েছেন চারুকলার শিল্পী রুদ্র। ম্যুরালের পেছনে রয়েছে সবুজ ও লালের মিশ্রনে জাতীয় পতাকার প্রতিকৃতি। বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়ামকে ঘিরে এখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ম্যুরাল নির্মাণ হয়েছে। তবে ম্যুরালটি ইতিহাস-ঐতিহ্যের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বরিশাল শহরকে জাগিয়ে তুলেছে। ম্যুরালটি দেখার জন্য প্রতিদিনই অনেকেই ভিড় করছে। রং বেরঙের বিদেশী দামী মূল্যবান পাথর দিয়ে বঙ্গবন্ধুর বুকে জড়ানো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আবেগঘন এই ম্যুরাল নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ বলে জানান ম্যুরাল নির্মাণ তদারকির দায়িত্বপ্রাপ্ত সিটি করপোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইয়েদ আহমেদ মান্না। মান্না জানান, বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়াম- অথচ অডিটোরিয়ামে বঙ্গবন্ধুর কোন নামফলক বা ছবি ছিলো না। বিষয়টি সিটি মেয়রের দৃষ্টিগোচর হলে তিনি ঢাকার একটি আর্কিটেকচার গ্রুপের সহায়তায় নকশা প্রনয়ন করেন। পরে চারুকলার উচ্চ মানের শিল্পিদের সহায়তায় বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়ামে দেশের সব চেয়ে বড় বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল করার উদ্যোগ নেন। কিন্তু করোনার কারণে এই নির্মান কাজ পিছিয়ে যায়। ইতিমধ্যে ম্যুরালের বেশীরভাগ নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে। ম্যুরাল নির্মাণের দায়িত্বে থাকা চারুকলার শিল্পী রুদ্র জানান, বিদেশি উন্নতমানের টাইলসের বিভিন্ন রঙের টুকরা দিয়ে ম্যুরাল নির্মাণ করা হচ্ছে। চারজন সহযোগীকে নিয়ে দীর্ঘ ৪৫ দিন ধরে এর নির্মাণকাজ করছেন। এটিই বঙ্গবন্ধুর সবচেয়ে বড় ম্যুরাল এবং এর আগে এত বড় ম্যুরাল অন্য কোথাও নির্মিত হয়নি। ম্যুরালটি রঙ্গিন করা হয়েছে। শিল্পী আরো বলেন, আমি বিশ্বাস করি বঙ্গবন্ধু বেঁচে আছেন। এই ম্যুরালের মধ্যে তাঁকে আরো প্রাণবন্ত করা হয়েছে। নতুন প্রজন্মের সন্তানরা ম্যুরালটি দেখে বঙ্গবন্ধুর প্রতি আরো বেশি শ্রদ্ধাশীল হবে বলে আমি মনে করি।

মন্তব্য করুন