ePaper

ফ্যাসিস্ট সরকার”শিক্ষাতে পাথরের মত দখল করে রেখেছিল জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজ

মো. তাসলিম উদ্দিন সরাইল(ব্রাহ্মণবাড়িয়া)

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেছেন,ফ্যাসিস্ট সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাথরে”র মত দখল করে রেখেছিল।শিক্ষা ব্যবস্থার  অবকাঠামো গত কোন উন্নয়ন হয়’নি। শিক্ষা’তে কোন প্রকার উন্নয়ন হয়নি। আজ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে (১৭আগষ্ট) সোমবার  সকাল ১১ টার দিকে “কালিকচ্ছ পাঠশালা উচ্চ বিদ্যালয়ে- বার্ষিক মেধা,ক্রীড়া- প্রতিযোগিতার-পুরস্কার-বিতরণী- ওসাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদে’র প্রশাসক মো. সিরাজুল ইসলাম সিরাজ এ মন্তব্য করেছেন। উক্ত বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক এড. নুরুজ্জামান লস্কর তপুুর” সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো.সাইফুল ইসলাম।

জেলা বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান শাহিন। সরাইল থানা অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. মনজুর কাদের ভূঁইয়া।উপজেলা বিএনপি সভাপতি মো. আনিছুল ইসলাম ঠাকুর, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জীবন ভট্টাচার্য, অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম মানিক। জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন,শুনিছে”এ বিদ্যালয়ে”র সভাপতি সাবেক একজন এমপি ছিলেন। কেমন উন্নয়ন করেছে দেখেন। বিদ্যালয়ের বিল্ডিং দেখিয়ে জেলা পরিষদ প্রশাসক বলেন” এখন বিদ্যালয়ে মরিচা ধরেছে’ দেখেন বিল্ডিংয়ের বিউটিফিকেশন নেই, শিক্ষার অবকাঠামো উন্নয়নে তারা তাকান”নি” তারা তাদের আখের গুছিয়েছে।তিনি বলেন, আমরা ১৭ বছরে তাদের কাছ থেকে কি পেয়েছি। পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র থেকে আমাদের যুব সমাজ ও ছাত্র সমাজকে ধ্বংস করতে, আমাদের  প্রান্তিক পর্যায়ে মাদক ঢুকিয়ে দিয়েছে। মাদকের ভয়াল থাবায় দেশের যুবসমাজ আজ ধ্বংসের মুখে। আমাদের পরিবার ও আমাদের ছাত্রসমাজ মাদকে জর্জরিত। জেলা পরিষদ প্রশাসক বলেন,

আজকে আমাদের সময় এসেছে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করে, সামাজিকভাবে কমিটি গঠন করে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে । এবং প্রশাসনের সহযোগিতা নিতে হবে। মাদক নির্মূলে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. সিরাজুল ইসলাম সিরাজ। সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ পাঠশালা উচ্চ বিদ্যালয়ে’র বার্ষিক মেধা ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে খুদে শিক্ষার্থীকে পুরস্কার তুলে দিচ্ছেন অতিথিরা। স্কুল প্রাঙ্গণের বৃক্ষরোপণ করেছেন। মোট ১২০জন শিক্ষার্থীর মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পরে বিদ্যালয়ের খুদে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়, যা উপস্থিত অভিভাবক ও অতিথিদের মুগ্ধ করে। অনুষ্ঠানে বক্তারা শিক্ষার্থীদের শারীরিক সক্ষমতা, নৈতিক শিক্ষা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননের বিকাশ ঘটে।