দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা বাড়ানো হয়েছে।
এতে ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা। রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে এ দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছেন জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা। এরপর আর দামে পরিবর্তন না আসায় আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) একই দামে স্বর্ণ-রুপা বিক্রি হচ্ছে।জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা জানান, ২১ ক্যারেটের প্রতিভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৫৭৫ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা।
এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতিভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৩০১ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৯২ হাজার ৩৯৭ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতিভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১০৮ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ টাকা ৫৭ হাজার ১৭২ টাকা।
এর আগে গত ১২ সেপ্টেম্বর ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতিভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতিভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৪৯ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতিভরি স্বর্ণের দাম ৯৩৩ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতিভরি স্বর্ণের দাম ৭৫৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা ৫৬ হাজার ৬৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
এদিকে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতিভরি রুপার দাম ১১৭ টাকা বাড়িয়ে ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতিভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতিভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ৪ হাজার ২৫৭ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতিভরি রুপার দাম ১১৬ টাকা বাড়িয়ে ৩ হাজার ২০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১১৬ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৫৮ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৫৮ দফা। ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
প্রসঙ্গত, দেশের বাজারে গত ২৯ জানুয়ারি সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতিভরি স্বর্ণের দাম ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৮৬ হাজার ১ টাকা নির্ধারণ করা হয়, যা দেশের ইতিহাসে রেকর্ড সৃষ্টি করে। এটাই ছিল স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম।
