ePaper

সুগন্ধি চাল কেজি দুই”শ সরাইলে কাঁচা মরিচের কেজি ৪শত টাকা

মো. তাসলিম উদ্দিন সরাইল(ব্রাহ্মণবাড়িয়া)

যে কথা বলছে বাজারে কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ৩৫০ থেকে ৪০০ সুগন্ধি চাল কেজি দুই”শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অতিরিক্ত বৃষ্টি এবং সরবরাহ কমে যাওয়ার কারণে উপজেলা  বিভিন্ন কাঁচাবাজারে কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে এই পর্যায়ে পৌঁছেছে। এ মাসে অতিবৃষ্টির প্রভাবে সরাইলে বেড়েছে কাঁচা মরিচসহ প্রায় সব ধরনের সবজির দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে খুচরা বাজারে কাঁচা মরিচের দাম কেজিতে ১৫০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ৪০০ টাকায় পৌঁছেছে। অন্যান্য সবজির দামও বেড়েছে ১০ থেকে-১০০ টাকা পর্যন্ত। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।শনিবার (১ আগষ্ট) সরাইল সদর সহ বিভিন্ন বাজারে খুচরা কাঁচাবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।বাজারে দেখা যায়, এক সপ্তাহ আগে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হওয়া কাঁচা মরিচ এখন বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা কেজিতে। একই সময়ে পেঁয়াজের দাম ৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৬০ টাকা, পটল ৬০ টাকা থেকে ৮০ টাকা এবং বেগুন ৯০ টাকা থেকে ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।এ ছাড়া করলার দাম ৬০-৭০ টাকা থেকে বেড়ে ১২০ টাকা, মুখীকচু ৬০ টাকা থেকে ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। লাউ প্রতিপিস ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রায় সব ধরনের সবজির দাম বেড়ে যাওয়ায় বাড়তি দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে হচ্ছে ভোক্তাদের।

একজন চাকরীজীবী  বলেন, মাসের শেষ, এখনো বেতন পাইনি। এর মধ্যে সবজির দাম বেড়ে যাওয়ায় সংসারের বাজার করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।লেবার  কুদ্দুস আলী বলেন, দিন আনি দিন খাই। এভাবে সবজির দাম বাড়লে আমাদের মতো মানুষের চলা কঠিন হয়ে যায়। কাঁচা মরিচ কেনাই দায় হয়ে পড়েছে।সবজি ব্যবসায়ী মো. রাকিব বলেন, কয়েক দিনের বৃষ্টিতে সবজিখেত নষ্ট হওয়ায় বাজারে সরবরাহ কমেছে। এ কারণে দাম বেড়েছে। সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে দ্রুত দাম কমার সম্ভাবনা নেই।সরাইলের বাজারে মাছ ও মাংসের কোনো ঘাটতি নেই। উৎপাদনও আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে ভালো। এরপরও বাজার করতে গিয়ে সাধারণ মানুষের পকেট খালি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগি ১৯০-২০০, গরুর মাংস ৮২০-৮৫০ এবং সাধারণ রুই-কাতলা ৩০০-৩৫০ টাকা কেজি দরে কিনতে হচ্ছে ভোক্তাদের। এদিকে হঠাৎ করে 

সুগন্ধি চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ৮০ টাকা। ভুক্তভোগীরা দাবী করেছেন বাজার মনিটরিং করতে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *