আ: মান্নান পাটগ্রাম (লালমনিরহাট)প্রতিনিধি
লালমনিরহাট পাটগ্রাম উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত ধরলা নদীর অব্যাহত ভাঙনে জনপদ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এতে কৃষকের ফসলি জমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, নদী থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালু ও মেশিন দিয়ে পাথর তোলার কারণেই ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। পাটগ্রাম উপজেলার জোংড়া ইউনিয়নের কুমারপাড়া, ভক্তা পাড়া, ঘোষ পাড়া, দয়ালটারি, কাউয়ামারি বাজার এবং বুড়িমারী ও দুহরাহাটসহ বিভিন্ন এলাকার ফসলি জমি নদীগর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে। ভুক্তভোগীদের মতে, অনেক পরিবার ইতিমধ্যে তাদের বসতভিটা হারিয়ে অন্যত্র সরে যেতে বাধ্য হয়েছে ?বালু-পাথর উত্তোলনের নেতিবাচক প্রভাব: নদী থেকে অবৈধভাবে বালু ও পাথর উত্তোলনের ফলে নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হচ্ছে। উত্তোলিত বালু-পাথর স্থানীয় গ্রামীণ সড়ক ও মহাসড়কের পাশে স্তূপ করে রাখা হচ্ছে, যা গ্রামীণ অবকাঠামোর ক্ষতি করছে।?প্রভাবশালী চক্র: স্থানীয়দের অভিযোগ, এই ব্যবসার সাথে জড়িত ব্যক্তিরা অত্যন্ত প্রভাবশালী এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে সাধারণ মানুষ তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে ভয় পায়। এই চক্রটি বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিলেও সরকারি কোষাগারে সঠিক রাজস্ব জমা পড়ছে না। প্রশাসনের পরিদর্শন ও বর্তমান অবস্থা: লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী ইতিমধ্যে ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। তবে এলাকাবাসী দ্রুত স্থায়ী সমাধান হিসেবে সিসি ব্লক নির্মাণ এবং বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধের জোর দাবি জানিয়েছেন।
