নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) পদে যোগদান করেছেন আবু সাঈদ মো. রওশনুল হক। অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের গত ৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়ে তিনি দেশের বৃহত্তম বিশেষায়িত ব্যাংক বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে এ পদে যোগ দেন।
২৮ বছরের বেশি সময়ের সমৃদ্ধ ব্যাংকিং ক্যারিয়ারে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত দায়িত্ব পালন করেছেন। পদোন্নতির আগে তিনি বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে মহাব্যবস্থাপক (জিএম) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় তিনি প্রশাসন মহাবিভাগ, পরিকল্পনা ও পরিচালন মহাবিভাগ এবং আন্তর্জাতিক ও হিসাব মহাবিভাগের দায়িত্বে ছিলেন। পাশাপাশি তিনি ব্যাংকটির প্রধান অর্থপাচার প্রতিরোধ পরিপালন কর্মকর্তা (সিএএমএলসিও) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
আবু সাঈদ মো. রওশনুল হক ১৯৯৮ সালে জনতা ব্যাংকে সিনিয়র অফিসার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেন। এ ছাড়া প্রাইম ব্যাংক পিএলসি ও বেসিক ব্যাংক পিএলসিতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।
বেসিক ব্যাংকে ২১ বছরের কর্মজীবনে তিনি শাখা ব্যবস্থাপক, প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও), প্রধান ঝুঁকি কর্মকর্তা (সিআরও) ও উদ্ভাবন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া প্রধান কার্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রধান এবং সার্কেল প্রধান হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি।
শিক্ষাজীবনে আবু সাঈদ মো. রওশনুল হক বরিশাল ক্যাডেট কলেজ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হন। পরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিসংখ্যান বিষয়ে বিএসসি (সম্মান) ও এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) থেকে ডেটা সায়েন্স ও মেশিন লার্নিং বিষয়ে পিএইচডি গবেষণা করছেন।
তিনি ইনস্টিটিউট অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (আইবিবি) থেকে ব্যাংকিং ডিপ্লোমা (ডিএআইবিবি) এবং সিসকো সার্টিফায়েড নেটওয়ার্ক অ্যাসোসিয়েট (সিসিএনএ) সনদ অর্জন করেছেন। পাশাপাশি দেশে-বিদেশে ডেটা সায়েন্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও সাইবার নিরাপত্তাবিষয়ক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও পেশাগত যোগ্যতা অর্জন করেছেন।
সামাজিক ব্যাংকিং, কৃষি অর্থায়ন এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উন্নয়ন সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জনের লক্ষ্যে তিনি যুক্তরাজ্য, শেনজেনভুক্ত কয়েকটি দেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের ১৫টিরও বেশি দেশ ভ্রমণ করেছেন।
