ePaper

প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অংশীদারত্ব চান শি জিনপিং

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিবর্তে অংশীদারত্বের সম্পর্ক চান চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। বাণিজ্য, তাইওয়ান ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়ে তিনি এ অবস্থানের কথা জানিয়েছেন।

বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনের কাছে জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে পৌঁছান শি জিনপিং। সেখানে তাকে স্বাগত জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দীর্ঘ ১১ বছর পর এই প্রথম কোনো বিদেশি নেতাকে ওই সামরিক ঘাঁটিতে গিয়ে স্বাগত জানালেন কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

শি জিনপিংয়ের আগমনের সময় ট্রাম্প ও শি তাদের স্ত্রীদের সঙ্গে নিয়ে করমর্দন করেন এবং ছবি তোলেন। এ সময় সামরিক ব্যান্ড সংগীত পরিবেশন করে। পাশাপাশি কামানের তোপধ্বনি দেওয়া হয় এবং আকাশে উড়ে যায় একটি বি-১ বোমারু বিমান।

শির সফরের আগে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন ১১ মাসের একটি বাণিজ্য চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছে। চীনা পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ শুল্ক নিয়ে দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ওই চুক্তি সাময়িক স্বস্তি এনেছিল।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার বরাত দিয়ে শাফাক নিউজ জানিয়েছে, ওয়াশিংটনে পৌঁছানোর পর দেওয়া এক লিখিত বিবৃতিতে শি জিনপিং যুক্তরাষ্ট্র ও চীনকে প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন।

শি বলেন, চীনের জাতীয় পুনর্জাগরণ এবং যুক্তরাষ্ট্রকে আবারও মহান করে তোলার লক্ষ্য একসঙ্গে এগিয়ে যেতে পারে। এর মাধ্যমে দুই দেশ একে অপরের পরিপূরক হতে পারে এবং বিশ্বও উপকৃত হতে পারে।

গত মে মাসে ট্রাম্পের চীন সফরের পর এটি দুই নেতার মধ্যে নতুন বৈঠক। ওয়াশিংটন সফরে শি মার্কিন প্রযুক্তি খাতের নেতাদের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে অংশ নেবেন। এ ছাড়া হোয়াইট হাউসে একটি সামরিক অনুষ্ঠানেও তার অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

শি জিনপিং যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল আর্কাইভও পরিদর্শন করবেন। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান ও স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রসহ দেশটির গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক নথি সংরক্ষিত রয়েছে।