ePaper

২৪ ঘণ্টায় দেশে ২ হাজার ৫৭৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের গ্যাসক্ষেত্র ও এলএনজি মিলিয়ে দৈনিক গ্যাস উৎপাদন ও সরবরাহ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৫৭৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি)। এর বিপরীতে মোট উৎপাদন সক্ষমতা রয়েছে ৩ হাজার ৮৫৪ এমএমসিএফডি। অর্থাৎ মোট সক্ষমতার ৬৬ দশমিক ৯ শতাংশ গ্যাস উৎপাদন ও সরবরাহ হচ্ছে। ফলে প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ২৭৭ দশমিক ৫ এমএমসিএফডি উৎপাদন সক্ষমতা অব্যবহৃত থাকছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) পেট্রোবাংলার ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বরের দৈনিক গ্যাস ও কনডেনসেট উৎপাদন এবং বিতরণসংক্রান্ত প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ১১৯টি উৎপাদনশীল গ্যাসকূপ রয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের (বিজিএফসিএল) ৪৪টি কূপের মোট উৎপাদন সক্ষমতা ৮৫১ এমএমসিএফডি। এসব কূপ থেকে গ্যাস উৎপাদন হয়েছে ৪৮২ এমএমসিএফডি।

সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের (এসজিএফএল) ১৭টি উৎপাদনশীল কূপের সক্ষমতা ১৪৩ এমএমসিএফডি। এসব কূপ থেকে উৎপাদন হয়েছে ১৩৯ দশমিক ২ এমএমসিএফডি।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) ১৫টি উৎপাদনশীল কূপের সক্ষমতা ১৪৫ এমএমসিএফডি। এসব কূপ থেকে গ্যাস উৎপাদন হয়েছে ১০২ দশমিক ৩ এমএমসিএফডি।

আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানিগুলোর (আইওসি) ৪৩টি উৎপাদনশীল কূপের মোট সক্ষমতা ১ হাজার ৬১৫ এমএমসিএফডি। এর বিপরীতে এসব কূপ থেকে উৎপাদন হয়েছে ৮৭২ দশমিক ৩ এমএমসিএফডি।

এ ছাড়া রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) মাধ্যমে এলএনজি থেকে দৈনিক ৯৮০ দশমিক ৭ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহ হয়েছে। এ খাতে মোট সক্ষমতা রয়েছে ১ হাজার ১০০ এমএমসিএফডি।

পেট্রোবাংলার প্রতিবেদনের হিসাবে, দেশের স্থানীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলোর মধ্যে বিজিএফসিএল, এসজিএফএল ও বাপেক্স মিলিয়ে গ্যাস উৎপাদন হয়েছে ৭২৩ দশমিক ৫ এমএমসিএফডি। অন্যদিকে আইওসি ও এলএনজি মিলিয়ে সরবরাহ হয়েছে ১ হাজার ৮৫৩ এমএমসিএফডি।

গ্যাস উৎপাদনের পাশাপাশি কনডেনসেটও উৎপাদন হয়েছে। প্রতিবেদনে মোট কনডেনসেট উৎপাদনের পরিমাণ ৫ হাজার ৬৪৫ দশমিক ৩ ব্যারেল বলে উল্লেখ করা হয়েছে।