ePaper

অপরাধ দমনে আপসহীন, মানবিক তায় অনন্য: বাসন থানার ভোল পাল্টে দিচ্ছেন ওসি হারুনুর অর রশিদ

মোঃ শামীম হোসেন গাজীপুর

 ১৩ মার্চ, ২০২৬গাজীপুর মহানগরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল এলাকা বাসন থানা। শিল্পাঞ্চল ও ঘনবসতিপূর্ণ এই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা বরাবরই এক বড় চ্যালেঞ্জ। তবে এই চ্যালেঞ্জকে জয় করে বাসন থানাকে একটি জনবান্ধব ও নিরাপদ জনপদে রূপান্তর করেছেন বর্তমান অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হারুনুর অর রশিদ। যোগদানের পর থেকেই তিনি মাদক, ছিনতাই এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করে এলাকায় স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছেন।?মাদক ও ছিনতাই দমনে  সফল অভিযান ?ওসি হারুন অর রশিদ বাসন থানায় দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেন। বিশেষ করে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক সংলগ্ন এই এলাকায় ছিনতাইকারীদের দৌরাত্ম্য আগের চেয়ে অনেক কমেছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তিনি একের পর এক মাদক আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়েছেন। স্থানীয়দের মতে, তার কঠোর অবস্থানের কারণে মাদক কারবারিরা এখন এলাকা ছেড়ে পালাচ্ছে। ?পুলিশি তৎপরতায় গত কয়েক মাসে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং অসংখ্য পেশাদার অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। তিনি কেবল অভিযানই চালান না, বরং তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে বিভিন্ন সচেতনতামূলক সভাও পরিচালনা করছেন ও জুমার নামাজ পড়তে গিয়ে মসজিদে ও আলোচনা করেছেন। ?থানা চত্বরে আধ্যাত্মিক পরিবেশ: মসজিদ নির্মাণ ?ওসি হারুনুর অর রশিদের কাজের বিশেষত্ব কেবল অপরাধ দমনেই সীমাবদ্ধ নয়; তিনি থানার অভ্যন্তরীণ পরিবেশেও এনেছেন বৈপ্লবিক পরিবর্তন। থানায় আসা সেবাগ্রহীতা এবং কর্মরত পুলিশ সদস্যদের ইবাদত-বন্দেগির জন্য তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে একটি সুন্দর নামাজ পড়ার জায়গা ও মসজিদ সংস্কার ও আধুনিকায়ন করেছেন। তার এই ধর্মীয় ও মানবিক উদ্যোগ স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। অনেকে বলছেন, “থানায় এখন কেবল আইন নয়, বরং নৈতিকতার চর্চাও হচ্ছে।”জনবান্ধব পুলিশিং ও রাজনৈতিক মহলের সন্তুষ্টি সাধারণত থানার নাম শুনলে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে ভীতি কাজ করে, ওসি হারুনুর অর রশিদ তা দূর করতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি বলেন  ‘পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ’ এই স্লোগানকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন।?সাধারণ মানুষের মন্তব্য: স্থানীয়রা জানান, এখন কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালের সাহায্য ছাড়াই সরাসরি ওসির রুমে গিয়ে সমস্যার কথা বলা যায়। তার অমায়িক ব্যবহার ও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রবণতা তাকে অত্যন্ত জনপ্রিয় করে তুলেছে। রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃত্ব: এলাকার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সরকার দলীয় নেতা-কর্মীরাও তার কর্মতৎপরতায় সন্তুষ্ট। তারা বলছেন, ওসি হারুনুর অর রশিদ সরকারি দায়িত্বকে ইবাদত হিসেবে গ্রহণ করেছেন। তিনি দল-মতের ঊর্ধ্বে থেকে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছেন, যা সরকারের ভাবমূর্তিও উজ্জ্বল করবে।”সব ওসি যদি এমন হতেন”স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, বাংলাদেশ সরকারের দেওয়া দায়িত্ব যদি দেশের প্রতিটি থানার অফিসার ইনচার্জ এমন নিষ্ঠার সাথে পালন করতেন, তবে দেশ অনেক আগেই মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত হতো। মো. হারুনুর অর রশিদ প্রমাণ করেছেন, সদিচ্ছা থাকলে একটি থানাকে আদর্শ থানায় রূপান্তর করা সম্ভব। তিনি নিজে বলেন, “সরকার আমাকে যে পবিত্র দায়িত্ব দিয়েছেন, আমি কেবল তা সঠিকভাবে পালনের চেষ্টা করছি। মানুষের সেবা করাই পুলিশের প্রধান কাজ। আমি চাই বাসন থানার প্রতিটি মানুষ যেন শান্তিতে ঘুমাতে পারে এবং কোনো অপরাধী যেন এখানে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে।” এক নজরে ওসির উল্লেখযোগ্য কাজসমূহ:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *