সাহেদ চৌধুরী , ফেনী জেলা প্রতিনিধি
দীর্ঘ প্রায় দুই যুগ পর ফেনী শহরের ঐতিহ্যবাহী সুলতান মাহমুদ পৌর হকার্স মার্কেট কার্যকরী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার ২৯ আগষ্ট সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। রাত ৯ টার দিকে নির্বাচন কমিশনার ও শহর ব্যবসায়ী কল্যান সমিতির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান সোহেল ভোটগ্রহণ শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন। নির্বাচনে ২৮১ জন ভোটারের মধ্যে ২৬৭ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
নির্বাচনে সভাপতি পদে মো. ওমর ফারুক, সাধারণ সম্পাদক পদে শরীফ উদ্দিন মাসুদ ও সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে মো. আবুল কালাম আজাদসহ ১৭টি পদে ভোটের মাধ্যমে প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন। বাকি চারটি পদে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
কার্যকরী কমিটির ২১টি পদের মধ্যে সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে খুরশিদ আলম সবুজ, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রাশেদুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক পদে আনোয়ার হোসেন এবং ক্রীড়া সম্পাদক পদে ইকবাল হোসেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। বাকি ১৭টি পদে ৩৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
ভোটাভোটিতে সভাপতি পদে বাইসাইকেল প্রতীকে মো. ওমর ফারুক ২২০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তিনি নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী টেলিভিশন প্রতীকের হক সাহেব ২৮ ভোট এবং ছাতা প্রতীকের নুরের নবী ১৩ ভোট পান।
সাধারণ সম্পাদক পদে দোয়াত-কলম প্রতীকে শরীফ উদ্দিন মাসুদ ১৪০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী চেয়ার প্রতীকের আনম সালে জহুর তানীম ১০৩ ভোট এবং ট্রাক প্রতীকের আবদুর রজ্জাক চিশতী ১৫ ভোট পান।
সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে মোমবাতি প্রতীকে মো. আবুল কালাম আজাদ ১৮১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গরু প্রতীকের ফারুক হোসেন মিন্টু পান ৭২ ভোট।
সহ-সভাপতি পদে দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকে মো. কবির আহম্মদ ১৭২ ভোট এবং গোলাপ ফুল প্রতীকে আবদুল মমিন মজুমদার ১২২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কাপ-পিরিচ প্রতীকের মো. এনামুল হক ৭৩, মই প্রতীকের মো. সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া ৭০ এবং রিকশা প্রতীকের শহীদুল ইসলাম ৩৫ ভোট পান।
যুগ্ম সম্পাদক পদে টেবিল প্রতীকে মো. তৌহিদুল ইসলাম ১৮২ এবং আম প্রতীকে মো. আলাউদ্দিন ১৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। সিংহ প্রতীকের নজরুল ইসলাম পান ৯৭ ভোট।
কোষাধ্যক্ষ পদে টিউবওয়েল প্রতীকে মোহাম্মদ সুজন ১৪২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কবুতর প্রতীকের মোশাররফ হোসেন মজুমদার পান ১০২ ভোট।
দপ্তর সম্পাদক পদে তালা প্রতীকে মো. মোতাসির উল্যাহ সাকিব ২০০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী টেবিল প্রতীকের মো. জাহেদুল হক ভূঁইয়া পান ৩৯ ভোট। ধর্মবিষয়ক সম্পাদক পদে বই প্রতীকে মো. মোজাম্মেল হোসেন ১৪৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী টুপি প্রতীকের মো. ওসমান গনি পান ৯২ ভোট। সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে মুরগি প্রতীকে মো. ইসমাইল ১৭৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাঘ প্রতীকের মজিবুল হক ভূঁইয়া পান ৬৪ ভোট। সদস্য পদে মো. মোছন ১৮৮, মো. কাউছার ১৭৯, মো. শাহ জালাল ১৭৬, মো. আইয়ুব আলী ১৬৪, আবদুল জলিল ১৫১ এবং মো. মোমিনুল হক ১৩৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন
