জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, ‘ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রশাসনের প্রতিটি ক্ষেত্রে দলীয়করণ শুরু করেছে বিএনপি। দলটির গত ছয় মাসের কার্যক্রমে এনসিপি সন্তুষ্ট নয়। বিএনপি যদি এই পুরোনো চরিত্র ও মনস্তত্ত্ব থেকে বের হয়ে না আসে, তবে দীর্ঘমেয়াদে বা পাঁচ বছর ক্ষমতায় টিকে থাকা তাদের জন্য সম্ভব হবে না।’
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভোলার জেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে এনসিপি আয়োজিত সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে সারজিস আলম বলেন, “আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে পাশাপাশি রেখে তুলনা করা ঠিক হবে না। আওয়ামী লীগ খুনি, স্বৈরাচারী ও গণহত্যাকারী। বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পতন হয়েছে এবং ভারতে গিয়ে তাদের দাফন হয়েছে, এ চ্যাপ্টার ক্লোজড।”
তবে বিএনপির অপকর্মের সমালোচনার বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে তিনি জানান, বিএনপি যদি চাঁদাবাজি, জমি দখল, ভূমিদস্যুতা বা থানা ও অফিস দখলে লিপ্ত হয়, তবে এনসিপি তার যৌক্তিক ও কঠোর সমালোচনা করবে। তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি ভাইভা ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মসহ ডিসি, এসপি, ওসি ও ইউএনও-দের সরাসরি নিজেদের কার্যালয় থেকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। সংস্কার ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করলে বিএনপি ধীরে ধীরে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়বে এবং এর প্রতিবাদে রাজপথের কর্মসূচি আরও জোরদার করা হবে।
একই সাথে সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন ও বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানান তিনি। সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি সতর্ক করে বলেন, “জনগণের ট্যাক্সের টাকায় আপনাদের বেতন বাড়ানো হয়েছে। তাই সততা ও পেশাদারিত্বের পরিচয় দিন। এরপরও যদি ঘুষ ও দুর্নীতি চলে, তবে দেশের মানুষ আপনাদের বিরুদ্ধে রাজপথে নামবে।”
কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন, যুবশক্তির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাত খন্দকার মঞ্জু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রাসেল মাহমুদ, কেন্দ্রীয় সদস্য কাজী সালমান, রায়হানুল ইসলাম, ভোলা জেলা এনসিপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান এবং আহ্বায়ক মো. মাকসুদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
তাসনিয়া ফারিণ
রেট্রো লুকের ছবিটি দেখে কিছুটা স্মৃতিকাতর কণ্ঠে নিজের অনুভূতির কথা জানিয়ে ক্যাপশনে সংক্ষেপে লিখেন, ‘ভালোই হতো।’
সংগীতশিল্পী পড়শী
৪০ বছর আগের সেই পুরনো ক্যানভাসে নিজের রূপ আবিষ্কার করে রোমাঞ্চিত কণ্ঠশিল্পী পড়শীও। আশির দশকের ফ্রেমে বন্দি নিজের ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, ‘১৯৮০ সালে যদি থাকতাম, তাহলে মনে হয় এমন থাকতাম।’
