আ: মান্নান পাটগ্রাম:( লালমনিরহাট)
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলায় নেসকো’র প্রিপেইড মিটার নিয়ে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। গ্রাহকদের অভিযোগ, নতুন এই মিটার লাগানোর পর থেকে তারা প্রতিনিয়ত আর্থিক ক্ষতি ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের শিকার হচ্ছেন। গ্রাহকদের অভিযোগের ?দ্রুত টাকা ফুরিয়ে যাওয়া: গ্রাহকদের অভিযোগ, রিচার্জ করার কিছুদিনের মধ্যেই টাকা শেষ হয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে। অথচ আগের সাধারণ মিটারে মাসিক বিল আসত অনেক কম।?হঠাৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন অনেক গ্রাহক জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত টাকা থাকা সত্ত্বেও অনেক সময় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে, যা মধ্যরাতে চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।?জোরপূর্বক মিটার স্থাপন: স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিসের বিরুদ্ধে অভিযোগ, গ্রাহকদের ভুল বুঝিয়ে বা জোরপূর্বক আগের মিটার খুলে এই প্রিপেইড মিটার বসানো হয়েছে।?বিল প্রদানে বাধা: যারা প্রিপেইড মিটার নিতে অনিচ্ছুক, তাদের প্রচলিত বিদ্যুৎ বিল নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, পাটগ্রাম বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী স্পন্দন বসাকের আচরণ অত্যন্ত উদ্ধত। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি গ্রাহকদের ফোন ধরেন না এবং উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায়ও অধিকাংশ সময় অনুপস্থিত থাকেন। এলাকাবাসী তাকে অযোগ্য দাবি করে অবিলম্বে অপসারণের আহ্বান জানিয়েছেন।বিভাগের বক্তব্য:অভিযোগের বিষয়ে জানতে নির্বাহী প্রকৌশলী স্পন্দন বসাকের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে একটি অনলাইন পোর্টালে তিনি জানিয়েছেন, গ্রাহকদের বিল সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যার সমাধানে তারা ডাটাবেজ যাচাই করে দেখছেন এবং প্রিপেইড মিটারের রিচার্জ থেকে বকেয়া বিল কাটার কোনো সুযোগ নেই।
