দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গের পশ্চিমে একটি পানশালায় বন্দুকধারীদের হামলায় ১৭ জন নিহত ও আরও ১৫ জন আহত হয়েছেন।
রোববার পুলিশ জানিয়েছে, হামলাকারীরা আটজন ছিলো। তাদের হাতে অ্যাসল্ট রাইফেল ছিল।
অপরাধপ্রবণ দেশটিতে এটি সর্বশেষ বড় ধরনের বন্দুক হামলার ঘটনা।
পুলিশ জানায়, শনিবার রাতের দিকে হামলাটি ঘটে। হামলাকারীরা পালিয়ে যাওয়ার আগে পানশালার কয়েকজন গ্রাহকের মোবাইল ফোন সোট নিয়ে যায়।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
নিহতদের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ ও চারজন নারী রয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
হামলার উদ্দেশ্য এখনো জানা যায়নি। পালিয়ে যাওয়ার আগে সন্দেহভাজনরা দুটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
পুলিশ বলেছে, ‘সন্দেহভাজনদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে গোয়েন্দা কর্মকর্তা ও অন্যান্য বিশেষায়িত ইউনিটের সমন্বয়ে একটি দল মোতায়েন করা হয়েছে।’
এদিকে রোববার ভোরে কেপটাউনের বাইরে একটি টাউনশিপের বিনোদনকেন্দ্রে পৃথক বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে। সেখানে বন্দুকধারীদের গুলিতে ১০ জন নিহত ও ১১ জন আহত হয়েছে।
দক্ষিণ আফ্রিকায় বৈধ ও অবৈধ—দুই ধরনের আগ্নেয়াস্ত্রেরই ব্যাপক বিস্তার রয়েছে। দেশটিতে বন্দুক হামলাও প্রায়ই ঘটে। এসব হামলার পেছনে অনেক সময় গ্যাংগুলোর দ্বন্দ্ব ও অনানুষ্ঠানিক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রতিযোগিতা ভূমিকা রাখে।
প্রায় ৬ কোটি ২০ লাখ মানুষের দেশ দক্ষিণ আফ্রিকায় বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ হত্যার হার রয়েছে। দেশটিতে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৬০ জন মানুষ হত্যার শিকার হন।
চলতি বছরের মার্চে জোহানেসবার্গের সহিংসতাপ্রবণ এলাকাগুলোতে সেনা মোতায়েন করা হয়। ব্যাপক অপরাধ দমনে পুলিশের প্রচেষ্টাকে সহায়তা করতেই সেনা মোতায়েন করা হয়েছিল।
দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা দেশটির সামনে থাকা সবচেয়ে বড় হুমকিগুলোর একটি হিসেবে ব্যাপক অপরাধপ্রবণতার কথা উল্লেখ করেছেন।
