হাবিবুর রহমান,গাইবান্ধা
গাইবান্ধা জেলার পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দীনের সার্বিক দিকনির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ছিনতাইকৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার এবং ছিনতাইকারী চক্রের এক সদস্যসহ চোরাই মোবাইল ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
ডিবি পুলিশ জানায়, গাইবান্ধা সদর থানার মামলা নং-৩৪, তারিখ ২২ জুলাই ২০২৬, পেনাল কোডের ৩৯২ ধারায় দায়ের হওয়া একটি ছিনতাই মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে ২৩ জুলাই দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গাইবান্ধা শহরের ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মোড় এলাকা থেকে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মো. আয়াত খান (২৫)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি গাইবান্ধা সদর উপজেলার মধ্যপাড়া এলাকার মো. মিলু খানের ছেলে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শহরের ফিরোজা মার্চেন্ট প্লাজার আরিয়ান টেলিকম নামে একটি পুরাতন মোবাইল ফোনের দোকানে অভিযান চালিয়ে ছিনতাইকৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। এ সময় চোরাই মোবাইল ফোন ক্রয়-বিক্রয়ের অভিযোগে দোকানের যৌথ মালিক মো. মাসুম মিয়া (৩০) ও মো. রানা (২৮)-কে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া অপর দুই আসামির মধ্যে মাসুম মিয়া গাইবান্ধা সদর উপজেলার খামার বল্লমঝাড় এলাকার মো. জবিয়াল শেখের ছেলে এবং রানা রিফাইতপুর এলাকার মো. আমিনুল ইসলামের ছেলে।
অভিযানে ২০টি পুরাতন অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন এবং ২টি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার হওয়া প্রধান আসামি মো. আয়াত খানের বিরুদ্ধে গাইবান্ধা সদর থানায় মোট ১০টি মামলা রয়েছে।
এ বিষয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. শরীফ আল রাজীব, পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম, জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ (নিরস্ত্র) মো. আব্দুল মোত্তালিব সরকারসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
পুলিশ জানিয়েছে, জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং ছিনতাই ও চোরাই মাল ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
