মধুখালী প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী ফেরিঘাট পাকা সড়কে রাস্তার ও ইটভাটার ব্যবহৃত ট্রাক থেকে মাটি পড়ে থাকা বৃষ্টির পানিতে কাদায় পরিণত হয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন মোটরসাইকেল, বাইসাইকেল ও স্থানীয় পথচারীরা। কাদার কারণে সড়ক দিয়ে যানবাহন তো দূরের কথা, হেঁটেও চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়েছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কামারখালী হাটে ও বাজারে ঢোকার প্রধান সড়ক কামারখালী বাসষ্টান্ডের চৌরাস্তার মোড় থেকে আকিদুল মুন্সী দোকান পর্যন্ত সড়ক কাদাপানিতে একাকার। এই কাদার কারণে যান-চলাচলে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। পথচারীরা খালি পায়েও সড়কে চলাচল করতে পারছেন না। বিশেষত, দুর্ভোগের মুখে পড়েছেন মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেল চালকরা। দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে তারা মোটরসাইকেল চালাচ্ছেন। দূরদূরান্তের যাত্রীদের সড়কের পাশে বসবাসকারী ও ব্যবসায়ীদের পড়তে হয়েছে চরম ভোগান্তিতে। স্থানীয়রা জানান, বছরের পর বছর ধরে চড়ের বালি, বাজারের লোড ট্র্যাক ইটভাটার অবৈধ ট্রাক্টর, রেলের কাজে ব্যবহৃত , ট্রলি পাকা রাস্তা দিয়ে নিয়মিত চলাচলের কারণে এই কাদার সৃষ্টি হয়েছে। ইটভাটার ট্র্রাক্টরের ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত বহন করা মাটি সড়কে পড়ে। বেশ কিছুদিন ধুলোয় টিকে থাকা দায় হয়ে পড়েছিল। এখন বৃষ্টি হওয়ায় পাকা রাস্তাগুলো কাদাময় হয়ে পড়েছে। চলাচলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় কাজে বেড়েছে দুর্ভোগ। রাস্তায় চলাচল করা মোটর সাইকেল আরোহী মোঃ শাহীন মন্ডল বলেন, নদী ভাঙ্গণ ও বালুর কাজে নিয়োজিত বালিবাহী যানবাহন থেকে রাস্তায় পড়ে যাওয়া মাটি রোদের সময় শুকিয়ে ধুলা আর বর্ষায় কাদা হয়ে থাকে। দেখে বোঝার উপায় থাকে না এটা কার্পেটিং রাস্তা। এতে বছর জুড়েই এই সড়কে চলাচল করতে পোহাতে হয় ভোগান্তি। তবে জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কগুলোতে যদি এখনই কোনো ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে এবং কিছুদিনের মধ্যেই এই রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়বে। বিশেষ করে আগামী বর্ষা মৌসুম তো আছেই। এখনই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ী বৃন্দ । এ বিষয়ে মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রওশনা জাহানের কামারখালী বাসষ্টান্ডের চৌরাস্তার মোড় থেকে আকিদুল মুন্সী দোকান পর্যন্ত সরেজমিনে পরিতর্শনে এসে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পধচারী ও স্থানীয় জনগন জোরালো দাবী জানান ।
