আল আমিন,লামা( বান্দরবান) প্রতিনিধি
লামা উপজেলায় পাহাড়ের অনুকূল আবহাওয়া ও উর্বর মাটিতে এত ব্যাপক পরিমানে আম উৎপন্ন হচ্ছে যে,এটি এখন শিল্পে রূপ নিচ্ছে।এ অঞ্চলে ছোট-বড় বহু আমের বাগান চোখে পড়ে।এর মধ্যে ভিনদেশী সুস্বাদু উন্নতমানের আম উৎপাদনের ক্ষেত্রে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে মেরিডিয়ান এগ্রো।তাদের উৎপাদিত আমের মধ্যে রয়েছে ভারত,থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, ভিয়েতনামি জাতের আম।মেরিডিয়ান এগ্রো সর্বমোট বত্রিশ জাতের আমের চাষ করে যাচ্ছে। বিশেষভাবে বৈশিষ্ট্যপূর্ণ এসব আম অত্যন্ত সুস্বাদু, মিষ্টি, আঁশবিহীন,পাতলা আঁটির চামড়াও বেশ পাতলা।ঘ্রান ও দারুণ এবং অতুলনীয় বলা যায়।ক্রেতাদের মধ্যে এ অঞ্চলে উৎপাদিত বিদেশি নানা জাতের আমের ব্যাপারে তুমুল আগ্রহ লক্ষ করা যাচ্ছে। তারা এসব আম ইতোপূর্বে খেয়ে পরিতৃপ্তি লাভ করেছেন।লামা উপজেলায় উন্নত জাতের আম্রপালি,যা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে এবং বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। এখানকার আমচাষি এবং বেশ কিছু এগ্রো প্রতিষ্ঠান উন্নত জাতের আম উৎপাদন করে বেশ সফল হয়েছেন,এ অঞ্চল এখন আম উৎপাদনকারী এলাকা হিসাবে সুপরিচিত। তবে স্থানীয় আমচাষিরা যে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েছেন, তাদের মতে, “সরকারের পক্ষ থেকে স্বল্প সুদে ঋনের ব্যবস্থা,উন্নত যোগাযোগ ও বিদুৎতের ব্যবস্থা এবং আম সংরক্ষণের ব্যাপারে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করলে এ অঞ্চল আম উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠবে।” এছাড়া ও কলা,লিচু, আনারস,কমলা,কফি, কাঁঠাল,কাজুবাদাম,ড্রাগন,ও পেঁপেসহ ফলের বৈচিত্র্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এ অঞ্চল। লামা উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সোহেল রানা বলেন,” লামা উপজেলায় প্রচুর আম উৎপাদন হয়, এর পাশাপাশি বিভিন্ন প্রজাতির সুস্বাদু ফল উৎপাদিত হয়।আমরা নিরাপদ ফল ও চাষীদের বিভিন্ন কারিগরি সুযোগ সুবিধা এবং প্রশিক্ষণ প্রদানে সরকারের নির্দেশিত পন্থায় কাজ করে যাচ্ছি। এ অঞ্চলের সুস্বাদু ফল বিদেশে ও রপ্তানি হচ্ছে।”
