ইয়াকুব নবী ইমন, নোয়াখালী:
মোঃ বাসু মিয়া। নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের বাসিন্ধা। তিনি স্থানীয় বালি মসজিদ বাজার পাশে জিরো পয়েন্টে দীর্ঘদিন ধরে একটি ছোট চায়ের দোকান করে করতেন। বিগত কয়েকদিন ধরে দোকানটি বন্ধ ছিল এবং দোকানে কোনো মালামালও ছিল না। বিষয়টি মানবতার হাসি ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিদের নজরে আসে। এরপর এই পরিবারকে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেয়া হয়। তারই অংশ হিসেবে বাসু মিয়ার দোকানের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু মালামাল কিনে দেয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে- দুধ, চিনি, চাপাতা, ৫ প্রকার চিপস, কেক, ২ প্রকার বিস্কুট, মটরভাজা, মামা ওয়েফার, পান, সুপারি, জর্দা, বেকারির বিভিন্ন প্রকারের মাল ও মুগডাল। ফাউন্ডেশনের এই ছোট্ট প্রচেষ্টায় আবারও মোঃ বাসু মিয়ার চায়ের দোকানটি চালু হয়েছে। ফিরে এসেছে প্রাণ চাঞ্চল্য। বাসু মিয়ার মুখে ফুটেছে হাসি। ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সামনে বাসু মিয়াকে আরও কিছু পুঁজি দিয়ে ব্যবসাটিকে একটু বড় পরিসরে দাঁড় করাতে সহযোগিতা করা হবে। যেন তিনি নিজের পরিশ্রমের মাধ্যমে পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন এবং কারও কাছে হাত না পাতেন। সংশ্লিষ্ঠরা বলছেন, সকলের সাহায্য, সহযোগিতায় এই স্বাবলম্বীকরণ প্রকল্পকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। এভাবে একটি পরিবার স্বাবলম্বী হবে, সমাজ থেকে বেকারত্ব দুর হবে। মানবতার কল্যাণে আমাদের স্বাবলম্বীকরণ প্রকল্প চলমান থাকবে বলেও ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়। সহযোগিতা পেয়ে দোকানদার বাসু মিয়া জানান, আমি আসলে কল্পনাও করতে পারিনি এভাবে কেউ আমার পাশে দাঁড়াবে। যারা আমাকে সহযোগিতা করেছে তাদের সবাইকে ধন্যবাদ আর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আল্লাহর কাছে। যিনি মানবতার হাসি ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আমাকে আবারও ঘুরে দাঁড়াতে সাহার্য করেছেন। আমি ভাবতেও পারিনি যে আবার দোকানটি চালু করতে পারবো। উল্লেখ্য, সদা মানবতার কাজে নিয়োজিত এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ২০১৬ সাল থেকে বেগমগঞ্জের পূর্বাঞ্চলে মানবতার হাসি ফাউন্ডেশন বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
