মোঃ সহিদুল ইসলাম, মধুখালী প্রতিনিধি
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার ডুমাইন ইউনিয়নের ডুমাইন বটপাড়া ডাক্তার পাড়ার রাস্তা দীর্ঘদিনেও সংস্কারের অভাবে রোগী, ছাত্রছাত্রী সহ জনচলাচলের ও ডুমাইন রুপদিয়া এবং ফুলেরশ্বর নদীর মাঠের কৃষিকাজের ফসল আবাদ ও ফসল আনার একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার বেহাল দশা হয়ে পড়েছে। জনগুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তা দিয়ে মানুষের যাতায়াত করতে, মানবিক ডাক্তার পিযুষ বিশ্বাসের বাড়ীতে চিকিৎসা নিতে রোগী, প্রাথমিক বিদ্যালয়, উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীসহ আড়পাড়া ও ডুমাইন ইউনিয়ন সহ আরো বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত প্রায় ১০ হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। রাস্তাটি ডুমাইন বটপাড়া ব্রীজ থেকে করিম মল্লিকের বাড়ী পর্যন্ত ইটের রাস্তা এর মধ্যে বাংলাদেশের মধ্যে একজন বড় মাপের মানবিক ডাঃ পিযুষ বিশ্বাসের বাড়ীর সামনে ইটের রাস্তা একেবারেই বেহাল দশা। এতে চরম ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে স্কুল, কলেজে পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীসহ মানবিক ডাক্তার পিযুষ বিশ্বাসের বাড়ীতে চিকিৎসা নিতে আসা প্রতি সপ্তাহে শত শত রোগীদের। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, রাস্তাটি কয়েক বছর আগে ডুমাইন বটপাড়া ব্রীজ থেকে থেকে করিম মল্লিকের বাড়ী পর্যন্ত ইট সলিং করা হয় এবং করিম মল্লিকের বাড়ী থেকে ফুলেরশ্বর নদীর ব্রীজ পর্যন্ত প্রায় ১ কিলোমিটার রাস্তা কাঁচাই রয়ে যায়। দীর্ঘদিনের করা ইট সলিং রাস্তার মাঝে মাঝে ইট সলিং উঠে গিয়ে খানা খন্দসহ বড় বড় গর্তে সৃষ্টি হয়েছে। এতে স্কুলে পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীসহ মানবিক ডাক্তার পিযুষ বিশ্বাসের বাড়ীতে চিকিৎসা নিতে রোগীদের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে এমনকি মাঠ থেকে উৎপাদিত ফসল ভারী যানবাহনে আনতে পারছে না । সামান্য বৃষ্টির ছিটাফোঁটা পড়লেই এই বাকী কাচা রাস্তা দিয়ে চলাচল করা একেবারেই অনুপযোগী হয়ে পড়ে। বড়মাপের মানবিক ডাক্তার পিযুষ বিশ্বাসের চাচা অনিল বিশ্বাস জানান, আমি একজন বৃদ্ধ মানুষ । আমার প্রায় সময় চিকিৎসার জন্য বাড়ী থেকে ডুমাইন বাজার যেতে হয়। রাস্তার এই অবস্থা দেখে অটোরিকশা চালক, ভ্যানচালক আমার নিয়ে যেতে চায় না। আর কোন চালক যেতে চাইলে তাদের দিতে হয় দ্বিগুণ ভাড়া যানবাহন না পেলে পায়ে হেটে যেতে বিপদের চরম ঝুকি বহন করতে হয় । অটোচালক ও ব্যাটারীচালিত ভ্যানচালকগন জানান, বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত বিভিন্ন রোগীদের এই বটপাড়া রাস্তা দিয়ে মানবিক ডাক্তার পিযুষ বিশ্বাসের বাড়ীতে এই রাস্তা দিয়ে অটোরিকশা যোগে রাস্তাটি সংস্কারের অভাবে ভালোভাবে নিতে যেতে পারি না। রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। আমাদের অটোরিকশারও অনেক ক্ষতি হয়। তাই রাস্তাটি অতি দ্রুত মেরামত হলে তাড়াতাড়ি ডাক্তরের বাড়িতে পৌঁছে দিতে পারি। রাস্তা সংস্কারের ব্যাপারে ডুমাইন ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ আমিরুল ইসলাম মোল্যা বলেন রাস্তাটি সংস্কারের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু রাসেল বলেছিলাম । তিনি আশ্বাস দিয়েছিলেন কিন্তু বদলি হওয়ার কারনে মেরামত সম্ভব হয়নি । তবে রাস্তাটি বর্তমান সংস্কার অতি জরুরী । তাই আমি নবাগত মধুখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার রওশনা জাহান এর নিকট জনগনের স্বার্থে ও মানবিক ডাক্তার পিযুষ বিশ্বাসের বাড়ীর কথা চিন্তা করে জনগনের দাবী রাস্তাাটি অতি দ্রুত সংস্কার করা হোক । ডুমাইন ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জীবন কুমার মন্ডল বলেন, এই রাস্তাটি আমরা ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দে কতটুকু পারছি করেছি। এখন জেলা পরিষদের কিংবা এমপির বরাদ্দে করতে হবে। এর আগে রাস্তাটি সংস্কার করার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অবগত করেছিলাম। কিন্তু এই রাস্তাটি এখনও সংস্কার হয়নি অনাবৃস্টি ও অতি বৃস্টির কারনে খালের পাশ ইট খসে খালে চলে গেছে এবং চলাচলে প্রায় অযোগ্য। রাস্তাটি বিভিন্ন ইউনিয়নের বাসিন্দাদের চলাচলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও বলেন এই রাস্তা দিয়ে কৃষিকাজে বিভিন্ন যানবাহন ও বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থী এবং শত শত রোগীরা সেবা নিতে আসে মানবিক ডাক্তার পিযুষ বিশ্বাসের গ্রামের বাড়ীর চেস্বারে । তাই রাস্তাটি সংস্কার হওয়া খুবই জরুরি।
