মধুখালী প্রতিনিধি
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইলিশের আড়তে কমেছে জাতীয় মাছ ইলিশের দাম। তবে নেই তেমন কোন পাইকের যা আছে তাও আবার কম তবে এর মধ্যে বাকী পাইকের সংখ্যা বেশী। আড়তে আশানুরূপ পাইকের না পাওয়ায় হতাশ আড়তদাররা। সোমবার (২রা মার্চ) সকালে সরেজমিন উপজেলার কামারখালী ইলিশের আড়ত ঘুরে দেখা যায়, হাঁকডাকেও পাইকেরদের সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। যে ইলিশ মাছের দাম কম সেগুলোর দিকেই নজর পাইকেরদের। আড়তদাররা জানান, আড়তে ইলিশের সরবরাহ খুব বেশি। তবে বাজারে ইলিশের চাহিদা কমেছে। ফলে কম লাভেই বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। গত সপ্তাহ বরিশাল ৩০০-৪০০ গ্রাম ওজনের প্রতিকেজি ইলিশ ৮০০-১০০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তখনো পাইকের সংকট ছিল। এখন বরিশাল ৩০০-৪০০ গ্রাম ওজনের প্রতিকেজি ইলিশ ৭০০-৮০০ টাকা কেজি বিক্রি হলেও পাইকের আরও কমেছে। আর চিটাগাং বিক্রি হচ্ছে ৬০০টাকা কেজি। আড়তদার আব্দুল আহাদ বিশ্বাস ও শফিক বিশ্বাস, সামসু , বিপ্লব এবং রেন্টু বলেন, ‘আড়তে ইলিশের সরবরাহ বেশি। তবে অনেক পাইকের ইলিশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। দাম কমলেও পাইকেরদের কাছে বেশি দাম মনে হচ্ছে। এজন্য পাইকের এলে সামান্য লাভে বিক্রি করা হচ্ছে।’এ ছাড়া আড়তদারদের অবস্থা শোচনীয় মাছ আছে পাইকের নাই বললেই চলে।
