ePaper

মন্ত্রী না পাওয়ায় হতাশ নোয়াখালীবাসী

ইয়াকুব নবী ইমন, নোয়াখালী প্রতিনিধি:

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের এমপি, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীরা শপথ গ্রহন করেছেন মঙ্গলবার । বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেসে দায়িত্ব নিয়েছেন। বন্টন করা হয়েছে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীদের দপ্তর। সরকারের বিশাল বহরে রয়েছে অর্ধশতাধিক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী। বৃহত্তর নোয়াখালীর ফেনী ও লক্ষীপুর থেকে দুই জন মন্ত্রী হলেও নোয়াখালীর কোন নির্বাচিত এমপিকে মন্ত্রীর তালিকায় রাখা হয়নি। মন্ত্রী না পাওয়ায় হতাশ নোয়াখালী জেলাবাসী। সূত্র জানায়, বিগত ১৭ বছরে আন্দোলন সংগ্রামে, ফ্যাসিষ্ট আওয়ামীলীগের জুলুম নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিএনপির কেন্দ্রীয় যে কয়জন ভূমিকা রেখেছিলেন, তার মধ্যে অন্যতম নোয়াখালী-১(সোনাইমুড়ী-চাটখিল) আসনে বার বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহা সচিব ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবি সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন,  নোয়াখালী-২ আসনের বার বার নির্বাচিত এমপি সাবেক বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদীন ফারুক, নোয়াখালী-৩(বেগমগঞ্জ) আসনের ৫বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্যাহ বুলু, নোয়াখালী-৪ আসনের বার বার নির্বাচিত এমপি কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান, এই চার জনেই বিগত চার দলীয় জোট সরকারের আমনে গুরুত্বপূর্ন দায়িত্ব পালন করেছেন। আওয়ামীলীগের সরকারের সময় নির্যাতিত হয়েছেন।

জেলার একাধিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক জানান, নোয়াখালী থেকে নির্বাচিত বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী বরকত উল্যাহ বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান, জয়নুল আবদীন ফারুক ও মাহবুব উদ্দিন খোকন প্রবীণ ও অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ। নোয়াখালীবাসী আসা করেছিলো এই চার জনই মন্ত্রীর তালিকায় থাকবেন। কিন্তু আমরা নোয়াখালীবাসী হতাশ হয়েছি। জেলার মানুষ বিএনপিকে ভালোবেসে ৬টি আসনের মধ্যে ৫টি আসন উপহার দিয়েছে। কিন্তু দলের হাইকমান্ড সেই উপহারের প্রতিদান দেয়নি। আমরা আশা করি দ্রুতই মন্ত্রীসভা সম্প্রসারিত হবে আর সেখানে  নোয়াখালীর নেতারা মন্ত্রীর স্থান পাবে।এদিকে নোয়াখালী থেকে কেউ মন্ত্রীর না হওয়ায় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। একাধিক বিএনপির নেতা জানান, অনেক পরিশ্রম করে বিএনপিকে জয়ি করেছি। আমাদের কোন নেতাকে মন্ত্রীর তালিকায় না দেখে সত্যি দু:খ পেয়েছি। আমরা আশা করি দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সহসাই মন্ত্রী উপহার দিয়ে আমাদের দু:খ লাগব করবেন।

 নোয়াখালী বিভাগ বাস্তবায়ন কমিটির অন্যতম সমন্বয়ক খোরশেদ আলম জানান, মন্ত্রী না পাওয়ায় আমরা হতাশ। সামনে আমাদের বিভাগ বাস্তবায়ন, সিটি কর্পোরেশন বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন ইস্যুতে আন্দোলন সংগ্রাম করতে হতে পারে। মন্ত্রী থাকলে আমাদের কাজ করতে বা দাবি আদায়ে সুবিধা হতো। আমরা চাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দ্রুতই  নোয়াখালীবাসীকে মন্ত্রী উপহার দিবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *