ePaper

সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় কাঁপছে সিরাজগঞ্জ

রফিকুল ইসলাম,সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

সর্বনিম্ন তাপমাত্রা, হিমেল হাওয়া আর ঘন কুয়াশায় শীতে  কাঁপছে যমুনা পাড়ের জেলা সিরাজগঞ্জ। শনিবার সকালে জেলায় সর্বনিম্ন তাপামাত্রা ৯.৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস ছিল। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। সাধারণ মানুষ শীতের কারনে জবুথবু হয়ে পড়ে। বিশেষ করে বয়োবৃদ্ধ ও শিশুরা শীতের কারনে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। কৃষকরা ক্ষেতে কাজ করতে পারছে না। তীব্র শীতে দিনমজুরদের কাজ না থাকায় আর্থিক সংকটে ভুগছে। পেটের তাগিদে রিক্সা শ্রমিকরা গায়ে গরম কাপড় জড়িয়ে রাস্তায় বেরোলোও তেমন যাত্রী পাচ্ছে না। অন্যদিকে তীব্র শীতে সাধারন মানুষ কষ্ট থাকলেও সরকার থেকে পর্যাপ্ত পরিমান কম্বল বরাদ্দ দেয়া হয়নি। রিক্সাচালক হযরত আলী হোসেন জানান, শীতে বের হয়েছি। ঘন কুয়াশা এবং শীতের কারনে যাত্রী নেই। হিমেল হাওয়ার কারনে কেউ রিক্সায় চড়তে চায় না। জরুরী কাজে বের হচ্ছে তারা হেটেই যাচ্ছে।বয়োবৃদ্ধ আবুল কালাম ও ইব্রাহীম সেখ জানান, শীতের কারনে কোন কাজকর্ম নেই। বাইরে বের হলেই হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যায়। কাজকর্ম না থাকায় আর্থিক সংকট দেখা দিয়েছে।    ট্রাক ড্রাইভার আকতার  হোসেন জানান, মহাসড়ক কুয়াচ্ছন্ন রয়েছে। হেডলাইট জ¦ালিয়ে গাড়ী চালাতে হচ্ছে।এতে গাড়ী চালাতে অসুবিধা হয়ে পড়ছে। দিনেই হেড লাইট জ¦ালিয়ে গাড়ী চালাতে হচ্ছে। কুয়াশার কারনে দুর্ঘটনার শঙ্কা রয়েছে। সিরাজগঞ্জের তাড়াশ কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষনাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  জাহিদুল ইসলাম জানান, এ বছরের সর্বনিম্ন ৯.৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে এবং  বাঘাবাড়ী আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়া অফিসার মোস্তফা কামাল জানান, আজকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রী সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

জেলা ত্রান ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল বাছেত জানান, ইতোমধ্যে জেলায় প্রায় ২৬ হাজার কম্বল বিতরন করা হয়েছে। সরকারের কাছে আরো চাহিদা পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে বিতরন করা হবে। সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. মো. নুরুল আমিন জানান, শীতে যতদুর সম্ভব ঘর থেকে কম বের হতে হবে। বের হলে শীতের কাপড় পড়তে হবে যাতে শরীর উষ্ণ থাকে। তা না হলে শীত জনিত রোগ সর্দি-কাশি, হাঁপানি, অ্যাজমা ও শ্বাসকস্টজনিত রোগ বাড়তে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *