ঢাকা, মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২০, ২৭ শ্রাবণ, ১৪২৭

কমিউনিটি ব্যাংক পুলিশের নয়, জনগণেরও: আইজিপি

কমিউনিটি ব্যাংক শুধু ব্যাংকের সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য নয়, একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে বিশেষ উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ ব্যাংকটি হবে অন্যদের চেয়ে আলাদা, স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত। ইনোভেটিভ ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দেশের জনগণের আর্থিক নিরাপত্তা এবং দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কমিউনিটি ব্যাংক। তাই ব্যাংক শুধু পুলিশ সদস্যদের জন্য নয়, জনগণের কল্যাণে, জনগণের জন্য কাজ করবে; যেন দেশের জনগণ কমিউনিটি ব্যাংকে তাদের নিজেদের ব্যাংক মনে করে।

২৮ জুলাই মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশের মহাপরিদর্শক-আইজিপি ও কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের চেয়ারম্যান এসব কথা বলেছেন।

এর আগে  ড. বেনজীর আহমেদ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ব্যাংকটির গুলশান, ধানমন্ডি, চকবাজার এবং উত্তরা শাখার উদ্বোধন করেন।

আইজিপি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ অনেক ক্ষেত্রে বিশ্বে মডেল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। আমরা চাই, ব্যাংকিং জগতেও দেশে-বিদেশে কমিউনিটি ব্যাংক সেরা হবে। ব্যাংকটির সেবা, কাস্টমারদের প্রতি আচরণ, টেকনোলজি হবে আন্তর্জাতিক মানের, যাতে আপনারা গ্রাহকের আস্থা অর্জন করতে পারেন। আমাদের লক্ষ্য হলো, সেরাদের মধ্যে সেরা হওয়া’। আমরা খুব দ্রুত সারাদেশে বিস্তৃত হতে চাই।

ব্যাংক কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনাদেরকে গতানুগতিক ব্যাংকিংয়ের বাইরে গিয়ে ইনোভেটিভ ব্যাংকিং নিয়ে আসতে হবে। গ্রাহকদের জন্য নতুন নতুন প্রোডাক্ট নিয়ে আসবেন, কাটিং এজ টেকনোলজি ব্যবহার করবেন। ব্যাংকিং জগতে আপনারা লিড করবেন, যেন অন্যরা আপনাদেরকে অনুসরণ করে।

বর্তমান করোনা পরিস্থিতি সম্পর্কে আইজিপি বলেন, আমরা হার না মানা জাতি। কোভিডের সাথে যুদ্ধ করতে করতে আমরা এগিয়ে যাব।

তিনি বলেন, চলমান করোনায় চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশের মতো ব্যাংকাররাও ফ্রন্টলাইনার। তিনি কোভিড আক্রান্ত হয়ে দেশে ও দেশের বাইরে যারা মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের আত্মার শান্তি কামনা করেন। যারা অসুস্থ আছেন তাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

পরে আইজিপি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং অন্যান্য কর্মকর্তাদের নিয়ে কেক কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে চারটি শাখা উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত আইজি ড. মো. মইনুর রহমান চৌধুরী, ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মসিউল হক চৌধুরী বক্তব্য দেন।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে রেলওয়ে রেঞ্জের অতিরিক্ত আইজি মো. মহসিন হোসেন, র‌্যাবের মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, ডিআইজি (ফিন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) আবু হাসান মুহম্মদ তারিক, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান, অতিরিক্ত ডিআইজি (ডেভেলপমেন্ট) ড. শোয়েব রিয়াজ আলম, স্বতন্ত্র পরিচালক কাজী মশিউর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।