ঢাকা, বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২০, ৩১ আষাঢ়, ১৪২৭

মেলান্দহ পুলিশের উপর মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীদের হামলায় ২ পুলিশ সদস্য আহত, গ্রেফতার-৪

জামালপুর প্রতিনিধি : মেলান্দহ থানার মাহমুদপুর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশের সাথে মাদক ব্যবসায়ী ও এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের সাথে সংঘর্ষে ২ পুলিশ সদস্য আহতসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে মেলান্দহ থানার মাহকমুদপুর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ।সম্প্রতি মেলান্দহ থানার মাহমুদপুর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এস আই মকবুল, এ এস আই সাইফুল, কং-সোহাগ, বদরুল,হেলাল সহ পুলিশের একটি দল মাহমুদপুর ইউনিয়নের আগপয়লা ডাইবেশনে মাদক বিক্রিকালে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে হাতে নাতে গ্রেফতার করে পুলিশ।তাদের দেহ তল্লাশি করে প্রতিজনের কাছ থেকে ৫ গ্রাম করে মোট ১০ গ্রাম হিরোইন উদ্ধার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর নাম আবু তালেব পিপলু ও ফেলু। পরে পুলিশ আসামীদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী মাহমুদপুরের আগপয়লা গ্রামের বুলবুলের কাছে তারা হিরোইন কিনেছে বলে ওই দু’জন মাদক ব্যবসায়ী পুলিশের কাছে স্বীকার করেন। এদিকে পুলিশের কাছ থেকে গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী আবু তালেব পিপলু ও ফেলুকে ছিনিয়ে নেয়ার জন্য আগপয়লা এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী হোতা বুলবুল, আলমগীর,মজনু,টুটুল, শামিম, নজরুলসহ আরও অজ্ঞাত ৮-১০ জনের একটি সংঘবদ্ধ চক্র গ্রেফতারকৃত দুই মাদক ব্যবসায়ীকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টায় পুলিশের উপর হামলা করলে পুলিশের সাথে মাদক ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ বাধে। এতে পুলিসজের এস আই মকবুল ও কনস্টেবল সোহাগ সন্ত্রাসীদের লাঠি ও কিল-ঘুষির আঘাতে আহত হয়। এ সময় কনস্টেবল সোহাগের জামা কাপড় ছিঁড়ে ফেলে সন্ত্রাসীরা। সেসময় কনস্টেবল সোহাগ প্রাণ রক্ষার্থে ধানের ক্ষেতের মধ্য দিয়ে পালিয়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ সাদার বাড়িতে আশ্রয় নেয়।সংঘর্ষ চলাকালে মেলান্দহ থানা পুলিশ ও মাহমুদপুর তদন্ত কেন্দ্রের আইসি আবু বক্কর সিদ্দিকীর নেতৃত্বে পুলিশের দল ঘটনাস্থলে গেলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।এ সময় পুলিশের উপর হামলাকারী মজনু ও শামিমকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ ব্যাপারে মেলান্দহ থানায় পৃথক দু’টি মামলা করে মেলান্দহ থানা পুলিশ। উল্লেখ্য ঘটনায় পুলিশ মাদকব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসী ৪ জনকে গ্রেফতার করায় এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।