মাকসুদ আলম সোনাইমুড়ী নোয়াখালী প্রতিনিধি
যিনি কুতুব চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচিত , এখন এক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, তৃণমূলভিত্তিক শক্তিশালী সংগঠন রূপ দিয়েছেন, এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক তাকে শুধুআজ কুতুব উদ্দিন সানি একজন নেতা নয়, বরং একটি রাজনৈতিক শক্তিতে রূপ দিয়েছে,০২ নং নদনা ইউনিয়ন আর্থিকভাবে সহায়তা করে আসছে দলের জন্য সহায়তা করছে সব মিলিয়েই দলকে উচ্চ শিখরে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে সেই সক্ষমতায় কুতুব উদ্দিন সানি উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব।
স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে অনেকেই তাকে তুলনা করছেন ‘হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা’র সঙ্গে—যার ডাকে অনুসারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাড়া দেয়। সোনাইমুড়ির বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে দেখা যায়, কুতুব চেয়ারম্যান একটি আহ্বানেই হাজারো নেতা-কর্মী মাঠে নেমে আসেন। তার রাজনৈতিক কর্মসূচি, সভা-সমাবেশ কিংবা সাংগঠনিক কার্যক্রমে ব্যাপক অংশগ্রহণ এই প্রভাবেরই প্রমাণ বহন করে।
ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা একজন অভিজ্ঞ সংগঠক। ছাত্রদল ও যুবদলের রাজনীতির মধ্য দিয়ে তার নেতৃত্বের বিকাশ ঘটে এবং পরবর্তীতে তিনি উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব, এসব পদে থেকে তিনি সংগঠনকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি নতুন নেতৃত্ব তৈরিতেও ভূমিকা রাখেন বলে দলের নেতারা মনে করেন।
সাবেক চেয়ারম্যান হিসেবে তার কর্মকালের স্মৃতি এখনো স্থানীয়দের মধ্যে আলোচিত। অবকাঠামো উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং সাধারণ মানুষের সমস্যার দ্রুত সমাধান তাকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে নিয়ে যায়। তার সময়ে ইউনিয়নের যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়ন, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সহায়তা এবং স্থানীয় দ্বন্দ্ব নিরসনে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনি ‘জনবান্ধব চেয়ারম্যান’ হিসেবে পরিচিতি পান কুতুবউদ্দিন সানি,
বর্তমানে তাকে উপজেলা পর্যায়েই আলাদা আলাদা প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। নদনা ইউনিয়নের তৃণমূল নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ চান, তিনি আবার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হয়ে সরাসরি তাদের পাশে থাকুন। অন্যদিকে উপজেলা পর্যায়ের নেতারা মনে করছেন, তার মতো অভিজ্ঞ ও গ্রহণযোগ্য নেতাকে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে বৃহত্তর পরিসরে কাজে লাগানো উচিত।
দলীয় নেতাদের ভাষ্যমতে, কুতুব উদ্দিন সানি চেয়ারম্যানের সবচেয়ে বড় শক্তি তার সংগঠনিক দক্ষতা এবং ব্যক্তিগত সম্পর্ক। তিনি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন এবং যেকোনো সংকটে পাশে দাঁড়ান। ফলে তার প্রতি এক ধরনের আবেগী ও আস্থাভিত্তিক সম্পর্ক তৈরি হয়েছে, যা তাকে অন্যদের থেকে আলাদা অবস্থানে নিয়ে গেছে।
গত ১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্রে একক প্রাধান্য বিস্তার করেন,তৎকালীন আওয়ামী লীগের বাগা বাগা গুন্ডারা ও স্থানীয় বানুয়ায় থেকে শত শত ক্যাডার নিয়ে কেন্দ্রে ভোট প্রভাবিত করতে পারে নাই তার নেতৃত্বেই বানুয়ার সকল ক্যাডার বিপুল পরিমাণ গণপিটুনি খেয়ে কেন্দ্র ত্যাগ করতে বাধ্য হন সেই নেতৃত্বের জের ধরে আজকে উপজেলা পর্যায়ে কুতুবউদ্দিন সানির গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেশি তাই উপজেলা বাসি উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালাকেই চায়
