মো. তাসলিম উদ্দিন সরাইল(ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
বছরের অন্যান্য মাস যেভাবে চলুক আর না চলুক তবে রমজানে মানুষের একটু লেবুর চাহিদা থাকে বেশি। রমজান মাস আসলে হঠাৎ করে দাম বেড়ে যায়। তার কোন ব্যতিক্রম ঘটে নাই সরাইল উপজেলার বিভিন্ন বাজারে। বাজার ঘুরে দেখা যায়। এক সপ্তাহে লেবুর দাম হঠাৎ বেড়ে ক্রেতাদের বিষম চাপে ফেলেছে বাজার। সরাইল উপজেলা বিভিন্ন কাঁচাবাজারে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে লেবুর দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আগে যেখানে প্রতি হালি লেবু ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হতো, সেখানে বর্তমানে তা বেড়ে ১০০-১২০ টাকায় পৌঁছেছে। অর্থাৎ এক সপ্তাহেই হালিতে বেড়েছে ৮০ টাকা। বর্তমানে প্রতি পিস লেবু ৩০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে, যা সাধারণ ক্রেতাদের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করেছে।ক্রেতা বিপ্লব বলেন, এক সপ্তাহ আগেও ৫০-৬০ টাকায় হালি লেবু কিনেছি। এখন ১০০-১২০ টাকা দিতে হচ্ছে। সাধারণ মানুষের জন্য এটা অনেক বেশি। লেবু নিতে এসে রাবিয়া বলেন, রমজানকে সামনে রেখে লেবু এখন বিলাসী পণ্যের মতো হয়ে গেছে। আগে তরকারি বা ভাতের সঙ্গে নিয়মিত খেতাম, এখন দাম বেশি হওয়ায় কিনতে পারছি না। অন্যদিকে বিক্রেতা কাদের বলেন, আমরা নিজেরা বেশি লাভ করছি না। পাইকারি বাজার থেকেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে।আরেক বিক্রেতা কাইয়ুম বলেন, শীতের শেষ দিকে লেবুর সরবরাহ কমে যায়। নতুন মৌসুমের লেবু আসতে এখনও সময় লাগবে। তাই এই সময়টাতে দাম সাধারণত বেশি থাকে।ব্যবসায়ীরা বলেন।নতুন মৌসুমের লেবু বাজারে আসা শুরু করলে দাম কিছুটা কমতে পারে। তবে বর্তমানে সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত উচ্চমূল্য অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর বিভিন্ন বাজারেও একই ধরনের চিত্র দেখা যাচ্ছে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, খুচরা বিক্রেতারা লেবু সাজিয়ে রেখে ৩০ টাকা পিস দরে বিক্রি করছেন। বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ কমে যাওয়া এবং পাইকারি বাজারে দাম বাড়ার কারণে খুচরা পর্যায়ে এই প্রভাব পড়েছে। বাজারে পোল্ট্রি মুরগির দাম কমলেও অস্থিতিশীল রয়েছে অনেক রমজানের পূর্ণ। খেজুর ফল ফ্রুট সবকিছুর দাম উগ্রগতি। রমজান মাসে পূর্ণের দাম সঠিক রাখতে প্রশাসনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন উপজেলা বাসী।
