মোঃ সহিদুল ইসলাম, মধুখালি প্রতিনিধি
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার হাটবাজারে উঠতে শুরু করেছে মুড়িকাটা পেঁয়াজ। মুড়িকাটা পেঁয়াজ উঠিয়ে অনেকে একই জমিতে হালি পেঁয়াজ রোপণ শুরু করেছেন। কেউ কেউ হালি পেঁয়াজ রোপণের জন্য জমি তৈরি করছেন। উপজেলার পেঁয়াজ চাষিরা হালি পেঁয়াজ রোপণের জন্য জমি তৈরি করছেন। অনেকে আবার রোপণও শুরু করেছেন। উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নের মধ্যে আড়পাড়া, ডুমাইন, নওপাড়া, রায়পুর, মেগচামী, কোরকদী, কামারখালী, বাগাট, জাহাপুরে বেশি পেঁয়াজের আবাদ হয়ে থাকে। এ ছাড়া কামালদিয়া, মধুখালী এবং গাজনা কম হয় । এখানে কিং ও তাহেরপুরি এই দুই ধরনের পেঁয়াজের আবাদ বেশি হয়ে থাকে। চলতি বছর উপজেলায় ৪৫৫০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কোরকদী ইউনিয়নের পেঁয়াজ চাষি কার্তিক কুমার বলেন, ‘ মুড়িকাটা উঠিয়ে একই জমিতে হালি পেঁয়াজ রোপণ শুরু করেছি। হালি পেঁয়াজ রোপণে তেমন ব্যয় হয় না। বিঘা প্রতি সব মিলে ৪০-৪৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়। তবে বাজারে পেঁয়াজের এমন মূল্য পেলে প্রান্তিক কৃষক অনেক লাভবান হবেন। পরবর্তী সময়ে পেঁয়াজ উৎপাদনে আগ্রহী হবেন।’ আড়পাড়া ইউনিয়নের কৃষক আকরাম বলেন, ‘মুড়িকাটা পেঁয়াজ বেশি দিন ঘরে রাখা যায় না। হালি পেয়াঁজ সারা বছর ঘরে রাখা যায়। যে কারণে মুড়িকাটা পেঁয়াজ রোপণের ঝুঁকি রয়েছে। তবে হালি পেঁয়াজে তেমন ঝুঁকি নেই। যে কারণে অনেকে এরই মধ্যে হালি পেঁয়াজ রোপণ শু?? করেছেন। এই পেঁয়াজের বীজ চারা দিতে হয়। তারপর উঠিয়ে রোপণ করতে হয়। ৮০-৯০ দিনের মধ্যে এই পেঁয়াজ উঠানো সম্ভব হয়। উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ব্যাসদী গ্রামের পেঁয়াজ চাষী রাসেল আহমেদ বলেন দেড় একরের মত হালি পেঁয়াজ চাষ করি । গত মৌসুমে ২শ মণ হয়েছিল। খরচ শেষে নিট ১ লক্ষ লাভ ছিল। এ বছর দেড় একর চাষ করেছি। আশা করছি খরচ শেষে বেশী লাভ হবে কারন হাই?ি??ড চারা রোপন করেছি। উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে ‘???তিবছর মধুখালীতে পেঁয়াজের আবাদ বাড়ছে। এ বছর শুর ৪৫৫০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যমাত্রা ছারিয়ে অর্জন হবে। বেশি ফলনের জন্য চাষিদের উন্নতমানের কয়েকটি জাতের বীজ সংগ্রহের পরামর্শ দান। একই সঙ্গে চাষিদের আধুনিরূ পযুক্তির ক্ষেত্রেও পরামর্শ দেওয়া হয়। এরই মধ্যে চাষী মুড়িকাটা পেঁয়াজ উঠিয়ে বাজারজাত করছেন। আবার অনেকে মুড়িকাটা উঠিয়ে হালি পেঁয়াজ রোপণ শুরু করেছেন।
