নিজস্ব সংবাদদাতা
রাজপথের ত্যাগী নারী নেত্রী কেন্দ্রীয় জাতীয়তাবাদী মহিলা দল পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক এলিজা শারমিন মুন্নীকে মহিলা সাংসদ দেখতে চায় এলাকাবাসী, বিএনপি হাইকমান্ডের কাছে জোর দাবি। তাঁর সমর্থকদের ভাষ্য, মুন্নীর ত্যাগ ও সাহসিকতার ইতিহাস তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছে। দুঃসময়ে মাঠে থেকে নেতাকর্মীদের সাহস জুগিয়ে যাওয়ায় তৃণমূল পর্যায়ে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। রাজনীতির পাশাপাশি স্বাস্থ্যখাত ও নারীর দক্ষতা উন্নয়নেও তাঁর অবদান তুলে ধরেন এলাকাবাসী। তাঁদের দাবি, নারীদের প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থান ও স্বাবলম্বী করে তুলতে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ ইতোমধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। সংসদে গেলে তিনি নারীর ক্ষমতায়ন, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং তৃণমূল উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তারা। এ প্রেক্ষিতে বিএনপির কেন্দ্রীয় হাইকমান্ডের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ জনগণ। তাঁদের মতে, দুঃসময়ের পরীক্ষিত, ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ এই নেত্রী নারী সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন দেওয়া হলে তা এলাকাবাসীর জন্য কল্যানকর হবে বলে অনেকেই মতপ্রকাশ করেছেন। পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার কৃতিসন্তান ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ত্যাগী নারী নেত্রী লায়ন আলিজা শারমিন মুন্নীকে নারীর সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী। স্থানীয় নেতা-কর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষের মতে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগ, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা এবং দুঃসময়ের সময় দলের পাশে থাকার স্বীকৃতি হিসেবেই তাঁকে মহিলা সাংসদ করা উচিত। এ দাবিতে এলাকায় ইতোমধ্যে আলোচনা, মতবিনিময় সভা ও গণসমর্থন জোরদার হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয়রা জানান, ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে মুন্নী রাজপথের বিভিন্ন আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছেন। গ্রেপ্তার, কারাভোগ ও নির্যাতনের মতো কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি দলীয় আদর্শ থেকে সরে দাঁড়াননি। একজন নারী নেত্রী হিসেবে রিমান্ডে নেওয়ার অভিজ্ঞতাও তাঁর রাজনৈতিক অঙ্গীকারকে দুর্বল করতে পারেনি, এমন মন্তব্য করে অনেকেই।
