কাজী মামুন,পটুযাখালী
ছোট ভাইয়ের বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত বিরোধ মেটাতে গিয়ে পটুয়াখালীতে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় খন্দকার নাহিদ (২৪) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। নিহত নাহিদ পটুয়াখালী পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং মৃত খন্দকার নিজামের ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ভার্সিটির অন্য মানুষের সাথে ঝামেলাকে কেন্দ্র করে অহেতুকভাবে পরপর দুই দিন নাহিদের ওপর হামলা চালানো হয়। প্রথম দফায় গত ৩০ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় কলাতলা বাজার এলাকায় নাহিদের ওপর হামলা চালানো হয়। স্থানীয়দের সহযোগিতায় সে সময় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবে পরদিন ৩১ ডিসেম্বর বিকেল ৪টার দিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সামনে নির্মাণাধীন একটি ভবনের নিচতলায় মাহিনের নেতৃত্বে ৮ থেকে ১০ জনের একটি দল নাহিদের ওপর পুনরায় হামলা চালায়। প্রত্যক্ষদর্শী ও সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, হামলাকারীরা প্রথমে নাহিদকে হুমকি দেয়। এরপর সঙ্গে থাকা ক্রিকেট খেলার ব্যাট দিয়ে তার মাথায় একাধিকবার আঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় নাহিদ অচেতন হয়ে পড়লে হামলাকারীরা তাকে তুলে নিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় কর ভবনের এলাকা থেকে নাহিদকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনায় জড়িতদের মধ্যে মাহিনকে মূল আসামি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়া হিরা, স্বাধীন, নাহিদ, এম আই নাহিদ, অমি, নাজমু, দিগন্ত, ছোটন ওরফে তুসার, শাওন, ইমনসহ আরও অনেকে হামলায় জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। নিহতের ছোট ভাই ফাহিম খন্দকার বলেন, আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমার ইউনিভার্সিটিতে যে ঝামেলা হয়েছিল, সেটার সঙ্গে আমি জড়িত ছিলাম না। আমার ভাইকে মাথায় আঘাত করে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমি এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই। পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অভিযান চালিয়ে চারজনকে মাহিন, নাহিদ , ছোটন, হিরা কে আটক করা হয়েছে। আজ হত্যা মামলা রুজু করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে
