গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সরকারী লিজকৃত পুকুরের জোড় পৃর্বক মাছ বিক্রি ও চাঁদাবাদীর অভিযোগ উঠেছে বারিক মিয়া ও হোসাইন আহম্মেদ সজীবের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে গাওছুল আজম বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জে থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী গাওছুল আজম উপজেলার শাখাহার ইউনিয়নের মোল্লাপাড়া গ্রামের গোলজার হোসেনের ছেলে। তার লিজ নেওয়া তফসিল বর্ণিত পুকুরে আলহাজ্ব লৎফর রহমান মাছ চাষ করে আসিতেছেন। অভিযুক্ত একই ইউনিয়নের মোল্লাপাড়া গ্রামের মৃত ছবেদ আলী ছেলে, বারিক মিয়া। শাখাহার গ্রামের মৃত সেকেন্দার আলীর ছেলে, হোসাইন আহম্মেদ সজীব। ভুক্তভোগী আলহাজ্ব লুৎফর রহমান কে পুকুর ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দেয়, এবং ৩ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করেন। এক পর্যয়ের গত (০১জুলাই) ১১.৩০মিনিটে ১০/১৫জনের বিরুদ্ধে নিম্ন তফসিল বর্ণিত পুকুরে জাল নেমে এক সাইড ঘিরে রাস্তায় দাড়ানো ভটভটিতে মাছ ধরে নিয়ে যাচ্ছিল যাহার আনুমানিক মুল্য থেকে ১লক্ষ ৫০হাজার টাকা। ডিউটিদ্বার জীবন নিয়ে গ্রামের ভিতর চিল্লায়তে চিল্লায়তে আসিলে গ্রামের সাধারণ মানুষ অভিযুক্ত হোসাইন আহম্মেদ সজীবকে আটক করে, এবং বৈরাগী তদন্ত থানায় তাকে সোর্পদ কর হয়। এ বিষয়ে বৈরাগী তদন্ত কেন্দ্র আইসি কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এলাকা বাসী সজীবকে আটক করে। পরে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে আলোচনার ভিত্তিতে সজীবের লোকজনের কাছে জিম্মায় দেওয়া হয়।