ePaper

অপরাধ দমনে বাসন থানা ওসি (তদন্ত) সেলিম খানের জিরো টলারেন্স মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত জনপদ গড়ার অঙ্গীকার

মোঃ শামীম হোসেনক, গাজীপুর

গাজীপুর শিল্পাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল এলাকা বাসন থানা। এই এলাকার আইন-শৃঙ্খলার স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং মাদক-সন্ত্রাস নির্মূল করা পুলিশের জন্য সবসময়ই একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আর এই চ্যালেঞ্জকে সাহসিকতার সাথে মোকাবিলা করে সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) বাসন থানার বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মোঃ সেলিম খান।

যোগদানের পর থেকেই তিনি মাদক সিন্ডিকেট ভাঙা এবং কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করে সফলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। তার চৌকস নেতৃত্ব এবং মানবিক গুণাবলির কারণে আজ তিনি শুধু সহকর্মীদের কাছেই নয়, বরং স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সাধারণ জনগণের কাছেও এক অতি পরিচিত ও প্রিয় নাম। মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে বলিষ্ঠ পদক্ষেপ মোঃ সেলিম খান বাসন থানায় যোগদানের পর থেকেই মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেন। তিনি বিশ্বাস করেন, সমাজ থেকে অপরাধ নির্মূল করতে হলে মাদকের মূল উপড়ে ফেলা জরুরি। তার নির্দেশনায় গত কয়েক মাসে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার হয়েছে এবং তালিকাভুক্ত বহু মাদক ব্যবসায়ীকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। তার এই কঠোর অবস্থানের কারণে এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা এখন কোণঠাসা। সহকর্মীদের কাছে আস্থার বাতিঘর একজন দক্ষ প্রশাসক হিসেবে এসআই (সাব-ইন্সপেক্টর) এবং এএসআই (অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টর) সহ সকল পুলিশ সদস্যদের কাছে তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয়। ডিউটি বণ্টন থেকে শুরু করে মামলার তদন্ত—প্রতিটি ক্ষেত্রে তিনি সহকর্মীদের সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা জানান, মোঃ সেলিম খানের অধীনে কাজ করা মানেই নতুন কিছু শেখা। বিপদে-আপদে তিনি সবসময় ছায়ার মতো সহকর্মীদের পাশে দাঁড়ান, যার ফলে বাসন থানার পুলিশ ফোর্স এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি উজ্জীবিত। ”স্যার আমাদের শুধু বস নন, একজন বড় ভাইয়ের মতো আগলে রাখেন। যেকোনো জটিল অপারেশনে তার সাহসিকতা আমাদের অনুপ্রেরণা দেয়।” — নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন এসআই। রাজনৈতিক ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের কারণে স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ মোঃ সেলিম খানের ওপর গভীর আস্থা পোষণ করেন। দল-মতনির্বিশেষে তিনি সকলের কথা শোনেন এবং আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেন। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মনে করেন, একজন সৎ ও কর্মঠ পুলিশ অফিসারের কারণে বাসন এলাকার অপরাধ হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। কেন তিনি অনন্য

তদন্তে দক্ষতা: জটিল ও ক্লুলেস মামলার রহস্য উদ্ঘাটনে তার বিশেষ খ্যাতি রয়েছে।

মানবিক পুলিশিং: সাধারণ মানুষ থানায় এসে যেন হয়রানির শিকার না হয়, সেটি তিনি নিজে তদারকি করেন। দ্রুত সেবা: যেকোনো অভিযোগ পাওয়ামাত্রই তিনি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। ভবিষ্যৎ লক্ষ্য মোঃ সেলিম খানের মূল লক্ষ্য হলো বাসন থানাকে একটি সম্পূর্ণ ‘মাদকমুক্ত ও নিরাপদ’ এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা। তিনি মনে করেন, পুলিশের একার পক্ষে সমাজ পরিবর্তন সম্ভব নয়; এর জন্য প্রয়োজন সাধারণ মানুষের সহযোগিতা। তাই তিনি কমিউনিটি পুলিশিং এবং বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছেন।গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের  উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও মোঃ সেলিম খানের কর্মদক্ষতায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তার এই নিরলস পরিশ্রম বাসন থানার সাধারণ মানুষের মনে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে।

উপসংহার:

একজন পুলিশ অফিসার যখন তার পেশাদারিত্বের সাথে দেশপ্রেম আর মানবিকতার সমন্বয় ঘটান, তখন তিনি মোঃ সেলিম খানের মতো জনগণের আস্থার ঠিকানা হয়ে ওঠেন। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উজ্জ্বল ভাবমূর্তি রক্ষায় তার মতো অফিসারের অবদান অনস্বীকার্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *