মধুখালী প্রতিনিধি
ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার বাগাট ইউনিয়নের মিটাইন বালুমহল গত বাংলা চলতি ৩০শে আশ্বিন ১৪৩২সনের বালি মহাল ইজারা দেয়ার জন্য জেলা প্রশাসক কর্তৃক দরপত্র আহ্বান করা হয়। সেই মোতাবেক ঠিকাদারগণ দরপত্র প্রদান করেন। এক পর্যায়ে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে বালি মহাল পেয়ে যান মেসার্স আকিদুল ইসলাম। মেসার্স আকিদুল ইসলামের এর স্বত্বাধিকারী প্রোঃ মোঃ আকিদুল ইসলাম বলেন, তিনি ৭৪ লক্ষ ১০ হাজার টাকা দরপত্রে প্রদান করে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে গত ইংরেজী ১৫-১০-২০২৫ইং সনে এই ইজারা পান। যাহার বিবরন ফরিদপুর জেলাধীন মধুখালী উপজেলার বাগাট ইউনিয়নের মিটাইন মৌজা জেল এল নং-২৪ বি,এস. খতিয়ান ০১ বিএস দাগ ৯৭৯, জমির পরিমান ২৬.৩০একর। যাহার স্বারক নম্বর-০৫.১২.২৯০০.০১৪.১৮.০২৪.২৫ ১২৮৭/১(৭)। তিনি বলেন, আমি লোকজন নিয়ে বালি কাটতে গেলে স্থানীয় প্রভাবশালী জনগনের ও কৃষি জমির মালিকদের নিষেধের কারনে ও স্থানীয় পর্যায়ের খুন খাবারির ভয় দেখিয়ে বাধা সৃস্টি করে যাহা আমি আজও স্থানীয় এবং জমির মালিকদের ভয়ে বালু মহাল ইজারা নিয়ে বালু কাটতে পারি নাই এটাই মূল কারন হচ্ছে। এ ব্যাপরে বাগাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ মতিয়ার রহমান খাঁন বলেন মিটাইন বালু মহাল সরকারি ভাবে ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ৭৪ লক্ষ ১০হাজার টাকা টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি হয় । তিনি আরও বলেন সরকারিভাবে ইজারা পায় মেসার্স আকিদুল ইসলাম প্রোঃ মোঃ আকিদুল ইসলাম গ্রামঃ পশ্চিম আড়পাড়া পোঃ কামারখালী উপজেলাঃ মধুখালী জেলা ঃ ফরিদপুর । যাহা সরকারি ভাবে উপজেলা প্রশাসন তাদের সরেজমিনে বুঝে দেন এরপর কি হয়েছে আমি জানি না । সংবাদ পেয়ে বুধবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বালু মহাল জমিগুলোতে ফসল আর ফসল তাছাড়া মিটাইন ও গোমারা গ্রামের স্থানীয় জনগন ও কৃষক এবং জমির মালিক মোঃ সাহেব আলী, মোঃ রবিউল ইসলাম, মোঃ একরাম হোসেন, মোঃ আইউব আলী সহ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরো কৃষক ও জমির মালিকগন বলেন আমাদের এটা ফসলের জমি আমরা আমাদের জমি আমরা চাষাবাদ করে খায় আমাদের জীবন থাকতে আমরা সরকার ্ও মেসার্স আকিদুল ইসলাম প্রোঃ মোঃ আকিদুল ইসলাম গ্রামঃ পশ্চিম আড়পাড়া পোঃ কামারখালী উপজেলাঃ মধুখালী জেলা ঃ ফরিদপুকে আমাদের জমি ক্ষতি করে আমাদের জীবন বিসর্জন দিয়ে হলেও আমরা ফসলের জমি থেকে বালু কাটতে দিবো না প্রয়োজনে আমাদের মালিকানা বাদে যে জমি সরকারের আছে সেটা আমাদের মধ্যে লীজ দিতে হবে। তারা আরও বলেন সরকার বালু মহাল বিক্রি করেছে আর আকিদুল ইসলাম মিটাইন বালু মহান কিনেছে আমরা আমাদের জমির মধ্যে বালুর ট্র্যাক যেতে দিবো না তাই আমরা আমাদের জমি ঘিরে রেখেছি। এ ব্যাপারে মিটাইন গ্রামের ওবায়দুর রহমান বলেন স্থানীয় কিছু কৃষকের জমির কারনে বালি উত্তোলন ও বালি ট্র্যাকে করে তাদের জমির মধ্যে নিতে বাধা দেওয়ায় ইজারাদারের বালি নিতে না পারায় কারনে হয়ে দাড়িয়েছে। তাই জমির মালিকের জটিলতা নিরসনের জন্য প্রশাসনের মাধ্যমে মিটাইন বালু মহাল বালি উত্তোলনের ব্যবস্থা অথবা ইজারদারের টাকা সরকারিভাবে ফেরত পাওয়ার জন্য তিনি (ইজারদার) এখন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ও মধুখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসের বারান্দায় ঘুরছেন।
