ePaper

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির একাধিক প্রার্থীরা মাঠে সুযোগ নিতে পারে জামাত

ইয়াকুব নবি ইমন / মাকসুদ আলম সোনাইমুড়ী -চাটখীল  নোয়াখালী প্রতিনিধি

 স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। এ সুযোগে সোনাইমুড়ি   উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের বিষয়টিও এসেছে সকলের  আলোচনায় ঘরে বাইরে চা দোকান, সংসদ নির্বাচনের  কিছুদিন যেতে না যেতেই  উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থী নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে সোনাইমুড়ী উপজেলার  প্রত্যন্ত অঞ্চল জুড়ে, আলোচনায় নাম এসেছে সাত আট জন পাত্রীর, ,নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে অনেকেই আগাম শুভেচ্ছা ও ব্যানার পেস্টনে মুখরিত করেছে উপজেলা শহর, একে অন্যের সাথে  যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন ভোটারদের সাথে ও, উক্ত নির্বাচনে   বিএনপির সহ ৭/৮ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে।তারা  প্রার্থীরা প্রতিদিনেই কারো না কারো  সভা-সমাবেশ ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে দলভারি করে নিজের অবস্থান তৈরির চেষ্টায় ব্যস্ত আছেন,

এরমধ্যে সরকারদলীয় প্রার্থী পাঁচ ছয় জন, তারা  নজরে আসতে প্রাণপণ চেষ্টা চালাচ্ছেন ,  নেতাকর্মীদের মন জয়েও চলছে নানা প্রতিশ্রুতি আর ব্যক্তিগত যোগাযোগ বৃদ্ধির নানা আনুষ্ঠানিকতায় তবে চায়ের চুমুকে গরম সংলাপ এখন ‘কে হচ্ছেন উপজেলা চেয়ারম্যান। সাধারণ মানুষের নিকট যোগ্যতা, দক্ষতা আর গ্রহণ যোগ্যতার চলছে আলোচনা, সোনাইমুড়ি উপজেলায় , সম্ভাব্য  চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী বিএনপির দিদার হোসেন দিদার উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক বর্তমান, তারপরই আছেন  কুতুবউদ্দিন সানি উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব বর্তমান,  কর্মীদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ এবং সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে তার একটি শক্তিশালী বলয় তৈরি হয়েছে অনেকদিন থেকেই,তৃতীয় তো আছেন  মাসুদুল আলম ফরহাদ, চতুর্থ তৌহিদুল ইসলাম, পঞ্চম ভিপি  মনির, তবে চতুর্থ পঞ্চম গত ১৭ বছরেই মাঠে ছিলাম না , তাদের নামে কোন মামলা হামলাও হয়নি জেল খাটতে হয়নি, দলের সুদিনে এসে সুবিধা ভোগ করতে চান তারা, বাকি তিন জনেই সর্বসময় মাঠে অবস্থান করেছেন বিভিন্ন মামলা হামলা জর্জরিত ছিলেন দিদার হোসেন দিদার ও কুতুব উদ্দিন সানি প্রতিটা মামলায় তারা আসামি ছিলেন, সেই দিক থেকেই দল কাকে প্রাধান্য দিবে  দল প্রেমী মনোনীত হবেন,  মাসুদুল আলম  ফরহাদ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক। মাঠভিত্তিক রাজনীতি ও স্থানীয় বিভিন্ন জনমুখী কর্মকাণ্ডের সক্রিয়  সক্রিয় থাকায় ইদানীং তার গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে আগের তুলনায় অনেক স্থানীয় বানুয়ায় বাড়ি হিসেবে তিনাকে কোন মামলায় জড়ায় নাই, কিন্তু সর্বসময় দলের জন্য সক্রিয় ছিল,  এ দিগে নিশ্চুপ  প্রচার চালাচ্ছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সোনাইমুড়ী উপজেলা শাখার আমির মাওলানা হানিফ মেল্লা, তিনি বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োজিত আছেন, দলীয় প্রার্থী ঘোষণা না করায় তিনি নির্বাচনী মাঠের এ প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তের ছুটছেন নিয়মিত সভা-সমাবেশও করছেন। সোনাইমুড়ী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও নোয়াখালী জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি সাহাব উদ্দিনও প্রচার প্রচারণায় চালিয়ে যাচ্ছেন।    এছাড়াও দেলোয়ার হোসাইন নোয়াখালী জেলা জামায়াতের সহ সেক্রেটারি ও সূরা- কর্ম পরিষদের সদস্য। তার নামও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় রয়েছে।  প্রত্যন্ত  অঞ্চলের বেশিরভাগ  ভোটার গণের আশা ও প্রত্যাশা সরকার দলীয় মনোনয়ন যিনি পাবেন তিনি ভাগ্যবান হবেন এবং উপজেলায় একক সংখ্যাগরিষ্ঠ হিসেবে তিনি নির্বাচিত হবেন, কারণ সোনাইমুড়ি উপজেলা বিএনপি’র অনেকটা দুর্গ  হিসাবেই পরিচিত থাকলেও জামাতের একক পার্টি হলে তারা সুযোগেই সদ্ব্যবহার করতে পারে বলে অনেকেরই ধারণা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *