ঢাকা, সোমবার, ২৭শে জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

আলোয় ঝলমল পদ্মা সেতু

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্রান্তে স্বপ্নের পদ্মা সেতুতে ঝলমল করে জ্বলে উঠল আলো। সোমবার (১৩ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে মাওয়া প্রান্তের ল্যাম্প পোষ্টে একসঙ্গে জ্বলে উঠে ২০৭টি বাতি। এতে করে মাওয়া প্রান্তের সবকটি ল্যাম্প পোষ্টে বাতি জ্বলল এই প্রথম।

এর আগে, গত ৫ জুন বিকেলে পদ্মা সেতুতে পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালানো হয়। এ দিন সেতুর ১৪ নম্বর থেকে ১৯ নম্বর পিলারের মাঝামাঝিতে ২৪টি ল্যাম্প পোষ্টে বাতি জালানো হয়েছিল। এরপর ১১ জুন পর্যন্ত পরীক্ষামূলক ভাবে সেতুর সবকটি বাতি জ্বালানো হয়।

পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের জানান, মুন্সীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির দেওয়া বৈদ্যুতিক সংযোগের মাধ্যমে এই প্রথম মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তের ২০৭টি ল্যাম্প পোষ্টে বাতি জ্বালানো হয়েছে।

সেতু বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সেতুতে বিদ্যুৎ বাতি রয়েছে ৪১৫টি। আর দু’পাশের সংযোগ সড়কে রয়েছে আরও ২০০টি বিদ্যুৎ বাতি।

গত বছরের ২৫ নভেম্বর মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্রান্তে প্রথম ল্যাম্প পোস্ট বসানোর কাজ শুরু হয়েছিল। চলতি বছরের ১৮ এপ্রিল এসব ল্যাম্পপোস্ট বসানো ও বাতি লাগানোর কাজ শেষ হয়। এরপর পুরো সেতুতে কেবল টানা হয়েছে।

গত ২৪ মে প্রথমে শরীয়তপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সেতুতে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়। ওই দিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে সেতু কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার নাওডোবা প্রান্তে ৪২ নম্বর পিলারে এ বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের কাজ শেষ হয়। এরপর মুন্সীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিও সেতুতে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করে। সর্বসাকুল্যে ৩০ মে প্রতিটি ল্যাম্প পোষ্টে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার কাজ শেষ করে মুন্সীগঞ্জ ও শরীয়তপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।

প্রসঙ্গত, আগামী ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন। পরদিন সকাল থেকে যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার মধ্য দিয়ে দক্ষিণবঙ্গের যোগাযোগ ব্যবস্থার নতুন দ্বার উন্মোচন হতে চলেছে।