ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৭শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
বগুড়ায় একদিনেই সড়কে দম্পতিসহ প্রাণ গেল ৭ জনের ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা চালানোর জন্য দায়ী পাক সেনা সদস্য ও কর্মকর্তাদের বিচার চেয়েছে ভারত। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে ভারতের জাতিসংঘ প্রতিনিধি টিএস ত্রিমূর্তি এ দাবি জানান। ২০২২ সালের ২৫ জানুয়ারি থেকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে শুরু হওয়া বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় হলো:- ‘সশস্ত্র সংঘাতকালে সাধারণ বেসামরিক মানুষের সুরক্ষা: বড় শহরগুলোকে যুদ্ধ ও নগরাঞ্চলে বসবাসরত বেসামরিক মানুষের সুরক্ষা’। বৈঠকে টিএস ত্রিমূর্তি বলেন, আমরা দেখছি, যুদ্ধ ও সন্ত্রাসী হামলার কারণে বিশ্বের বিভিন্ন শহর কী পরিমাণ বিপর্যয়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। জাতিসংঘ মহাসচিবের দফতর থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২১ সালে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও নগরাঞ্চলে সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ৫ কোটিরও বেশি মানুষ। গত কয়েক বছর ধরে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও সন্ত্রাসী হামলার কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আফগানিস্তান, লিবিয়া, সিরিয়া ও ইয়েমেনের শহরগুলোতে বসবাসকারীরা। অনেক ক্ষেত্রেই সংঘাতে ব্যবহার হচ্ছে বিস্ফোরক অস্ত্র। এতে ভয়াবহভাবে বাড়ছে হতাহতের সংখ্যা। কিন্তু এখনো অনেক দেশ আছে, যারা নিকট অতীতে ঘটে যাওয়া গণহত্যার ন্যায়বিচার পায়নি। বাংলাদেশ সেসব দেশের মধ্যে অন্যতম। ১৯৭১ সালে সাবেক পূর্বপাকিস্তান ও বর্তমান বাংলাদেশের নগরাঞ্চলে ভয়াবহ গণহত্যা চালিয়েছিল পাকিস্তান সেনাবাহিনী। ভারত মনে করে, এ গণহত্যার ন্যায়বিচার হওয়া উচিত। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে ঢাকার সাধারণ বেসামরিক মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল পাকিস্তান সেনাবাহিনী। ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামের সেই অভিযানে ঢাকায় অন্তত ৬ হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল। ‘অপারেশন সার্চলাইট’ শুরু হওয়ার কিছু সময়ের মধ্যেই বেতারে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সেই রাতে তাকে গ্রেফতার করে পশ্চিম পাকিস্তানের কারাগারে নেয়া হয়। ২৫ মার্চের পর বাংলাদেশের মুক্তিকামী তরুণ প্রজন্মের একাংশ ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে ফিরে গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ শুরু করেন। যুদ্ধের এক পর্যায়ে ভারতের সেনাবাহিনীও সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়। ৯ মাসব্যাপী স্থায়ী এ মুক্তিযুদ্ধে নিহত হন অন্তত ৩০ লাখ মানুষ। গত তিন-চার দশকে আন্তর্জাতিক আদালতে গণহত্যায় যুক্ত পাকিস্তানি সেনা সদস্যদের বিচার চেয়ে কয়েকবার আবেদন করেছে বাংলাদেশ। কিন্তু পাকিস্তানের অসহযোগিতার কারণে সেসব আবেদন সফলতার মুখ দেখেনি। একাত্তরে বাংলাদেশে পাক সেনাবাহিনীর গণহত্যার বিচার চায় ভারত বিশ্বে একদিনে শনাক্ত ৩৫ লাখ, মৃত্যু ১০ হাজারের বেশি নৈরাশ্যবাদীদের ভ্রান্ত ধারণা অমূলক প্রমাণ করেছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হয়রানি করা হচ্ছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের কোনো রকম হয়রানি করা হচ্ছে না। যদি সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ পাওয়া যায় সেক্ষেত্রে তদন্ত করা হবে।
রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর উত্তরখানের কাঁচকুড়া শিক্ষা কমপ্লেক্সে ঢাকা মহানগর উত্তরের ৪৪নং ওয়ার্ডের ‘ত্রি-বার্ষিক ইউনিট আওয়ামী লীগের সম্মেলন-২০২১’ এ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্বের সঙ্গে ডিউটি করে যাচ্ছে। অ্যাম্বুলেন্স থেকে শুরু করে জরুরি কোনো যানবাহন চলাচলে বাধা সৃষ্টি হলে সেগুলো চলাচলে সহযোগিতা করছে তারা।

রাজধানীর উত্তরখানে একটি ফায়ার সার্ভিস ও একটি পুলিশ ফাঁড়ির জন্য নেতাকর্মীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, নতুন থানা হতে সময় লাগবে। দুবার কাগজপত্র প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠাতে হবে। তাই আমি ডিসিকে বলবো, এলাকার জনগণের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ ক্যাম্প করে দেয়ার জন্য। একইসঙ্গে ডিজি ফায়ারকে বলবো- তারা যেন ইন্সপেকশন করে সুবিধাজনক স্থানে এটার একটা ব্যবস্থা করেন।

রাজধানীর উত্তরখান ও দক্ষিণখানের সড়কে ইজিবাইকের কারণে সৃষ্ট যানজট নিরসন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আমি উত্তরা বিভাগের ডিসিকে (উপ-পুলিশ কমিশনার) বলবো- যিনি ট্রাফিকের দায়িত্বে আছেন আপনি ওনার সঙ্গে আলোচনা করে যানজট কন্ট্রোল করার ব্যবস্থা করেন।

জনসমাগম দেখে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইউনিট আওয়ামী লীগের এ দৃশ্য, এ অভিজ্ঞতা আমি কোনো দিন দেখিনি। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বদলে গেছে। প্রধানমন্ত্রী যা বলেন তা-ই করেন। সেজন্যে আজ তার আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা। এ জায়গায় কাউকে ভাড়া করে আনা হয়নি, কাউকে পয়সা দিয়ে আনা হয়নি। আপনারা আওয়ামী লীগকে ভালোবাসেন, এটাই প্রমাণ করে।

তিনি বলেন, আজ বাংলাদেশে কোনো খাদ্যের অভাব নেই। কোনো কিছুরই অভাব নেই। সারাদেশের গৃহহীনদের তালিকা করে তাদের বাসস্থানের ব্যবস্থা করছেন প্রধানমন্ত্রী।