ঢাকা, বুধবার, ২১শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

‘৭০ ভাগ করোনারোগী ডিজিটাল পদ্ধতিতে ঘরে বসে সেবা নিয়েছেন’

দেশের শতকরা ৭০ ভাগ করোনা রোগী ডিজিটাল পদ্ধতিতে ঘরে বসে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

তিনি বলেন, মোবাইল অপারেটরগুলো কোভিডকালে নিরবচ্ছিন্ন সেবা প্রদান করছে। জনগণও আগ্রহী হয়ে সেবা নিয়েছেন।

মন্ত্রী মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) মোবাইল ফোন অপারেটরদের বৈশ্বিক সংগঠন -জিএসএমএ রাউন্ডটেবল অন বাংলাদেশ এচিভিং মোবাইল-এনেভলড ডিজিটাল ইনক্লিউশন শীর্ষক আন্তর্জাতিক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে তিনি আরো বলেন, সকল প্রকারের মোবাইল সেট বাংলাদেশেই তৈরি হয়, আমদানীর দরকার নেই।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ১৯৮৯ সালে মোবাইল ফোন যুগে প্রবেশ করলেও মনোপলি ব্যবসার কারণে মোবাইল ছিল সাধারণের নাগালের বাইরে। ১৯৯৭ সালে ৪টি অপারেটরকে মোবাইল ফোন পরিচালনার লাইসেন্স প্রদানের মাধ্যমে মোবাইল সাধারণের নাগালে পৌঁছে দেওয়া হয়।

মন্ত্রী বলেন, ২০১৩ সালে ৩জি চালু করা অবধি মোবাইল প্রযুক্তি কেবল কথা বলার কাজেই ব্যবহৃত হতো। এরপর ২০১৮ সালে ৪জি চালু হবার পর আমরা প্রকৃত মোবাইল ইন্টারনেটের যুগে প্রবেশ করলাম। মাত্র তিন বছরে করোনা থাকার পরও আমাদের মোবাইল অপারেটররা দেশব্যাপী ৪জির সম্প্রসারণ করেছে। এর ব্যবহারের পরিধি বাড়াতে সরকার সকল উদ্যোগ নেবে। বর্তমান সরকারের প্রযুক্তি বান্ধব নীতির ফলে দেশে স্যামসাং ও অপুসহ ১৪টি প্রতিষ্ঠান মোবাইল সেট উৎপাদন করছে। এ সব কারখানায় এখন ফোরজি সেটও তৈরি হচ্ছে। ফলে আমাদের সেট আমদানীর প্রয়োজনীয়তা নেই।

জিএসএমএ নেতৃবৃন্দ মোবাইল ফোন বিকাশে বাংলাদেশের অবস্থান, ভবিষ্যত করণীয় ইত্যাদি বিষয়ে বেশ কিছু পরামর্শ তুলে ধরেন। তারা ডিজিটাল দক্ষতা ও সচেতনা তৈরিতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।

বিটিআরসি, টেলিটক, রবি, বাংলালিংক ও এমটব প্রতিনিধিগণ,আইটিইউ এর এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রতিনিধি এবং এটুআই এর সিনিয়র পলিসি এডভাইজার আনির চৌধুরী গোলটেবিল বৈঠকে আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন।