ঢাকা, মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২০, ২৭ শ্রাবণ, ১৪২৭

বিএনপির সময় স্বাস্থ্যখাতে কোনো সিন্ডিকেট ছিলো না: দুদু

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও কৃষক দলের আহ্বায়ক শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, স্বাস্থ্যখাতে বিএনপি ক্ষমতায় থাককালিন সময় কোনো সিন্ডিকেট ছিলো না। বিএনপির সময় রিজেন্ট হসপিটাল এর মত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এরকম চুক্তি বা যোগাযোগ ছিলো না। তাই বিএনপির শাসনামলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে কোনো মন্তব্য আসেনি।

২৭ জুলাই সোমবার এক ভি‌ডিও কনফা‌রেন্সে শামসুজ্জামান দুদু এসব কথা ব‌লেন।

শামসুজ্জামান দুদু ব‌লেন, সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছে গত ১২ বছরে। সরকার যদি সচেতন হত, মানুষের ভোটের আশা করত তাহলে এই সিন্ডিকেট ভেঙে ফেলতো। সিন্ডিকেট কারা করছে সরকার এটা ভালো করেই জানে। তার পরেও সরকার এটা গুরুত্বসহকারে নেয়নি। তাহলে আমরা ধরে নিতে পারি এই সিন্ডিকেটের ওপর সরকারের কোনো না কোনোভাবে আর্শিবাদ আছে। যদি সরকারের মদদ থাকে তাহলে সিন্ডিকেট ভাঙবে কেন?

সা‌বেক ছাত্রদ‌লের এই সভাপ‌তি ব‌লেন, বর্তমানে দেশে গণতন্ত্রের আন্দোলন চলছে। যারা ত্যাগ স্বীকার করবে জেল খাটবে তারা যদি জানে অমুক লোকটি প্রার্থী হবেন, তাহলে তারা দলের জন্য কেন খাটবে? কারণ প্রার্থী তো নিশ্চিত হয়েই গেছে। এখন যে প্রার্থী হবে সে তার মত করে দল গুছিয়ে নেবে অন্য কারো দরকার নেই।

শামসুজ্জামান দুদু ব‌লেন, রাজনীতিতে সবগুলো বিষয় নিয়েই ভাবতে হবে। আমরা যে শুধু নির্বাচনকেন্দ্রিক ভাবি তা ভাবলে হবে না। শুধু নির্বাচনকেন্দ্রিক ভাবনা নিয়ে যদি আমরা এগোই তাহলে রাজনীতি ও দল খুব বেশি দূর এগিয়ে যাবে না। অতীতে কি হয়েছে বর্তমানে কি হচ্ছে আর ভবিষ্যতে কি হবে এটা নিয়েও ভাবতে হবে। যেমন ছাত্র সংগঠন, যুব সংগঠন মুক্তিযোদ্ধা সংগঠন যে সংগঠনের কথাই বলি না কেন। নেতৃত্ব যদি মাঠ পর্যায়ে সম্মেলন করে বানানো হয় তাহলে মাঠে কর্মীরা কাজ করবে।

শামসুজ্জামান দুদু ব‌লেন, এদেশের নির্বাচন সকালে না হয়ে মধ্যরাত্রি হয়ে যায়। সেই দেশে কোন জবাবদিহিতা থাকে না। একজন সংসদ সদস্য জানে প্রধানমন্ত্রীকে খুশি রাখলে সে মনোনয়ন পাবে এবং নির্বাচিত হবে। একজন মেয়র প্রার্থী জানে প্রধানমন্ত্রী বা দলের সভানেত্রী কে তুষ্ট রাখলেই সে নির্বাচিত হয়ে যাবে সেক্ষেত্রে দলের জন্য কিছু করা লাগে না।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী প্রচার দল আয়োজিত সাংবাদিক মনজুর মিলনের সঞ্চালনায় মুক্ত সংলাপে আর অংশগ্রহণ করেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর, এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তানভির আহমেদ রবিন।